সময় কলকাতা ড্রেস্কঃ সকালের চা টা না পেলে ঠিক জমে না।দিনটাই কেমন যেন এলোমেলো হয়ে যায়। আর সেই চা নিয়েই যত গণ্ডগোল পকিস্তানে। পাক সরকারের নয়া নির্দেশ, বেশি পরিমাণে চা খাওয়া চলবে না।পারলে চা পান বন্ধ করে দিন।সাকুল্যে সকাল বিকেল মিলিয়ে দুই কাপ চা খাওয়া চলতে পারে।এমনই জানিয়েছেন পাক মন্ত্রী।

এর পিছনে অবশ্য অন্য কারন আছে। কারনটা হচ্ছে সে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা তলানিতে এসে ঠেকেছে। দেশের রাজকোষ প্রায় শূন্য। পাকিস্তানের মন্ত্রী আহসান ইকবাল বলেছেন যে, “চা খাওয়া কমিয়ে দিলে বিদেশ থেকে চা আমদানির পরিমাণ কমবে। তাতে উন্নতি হবে দেশের অর্থনীতির। কারন আমরা দেনা করে চা আমদানি করি। তাই দেশের অর্থনীতিকে বাঁচাতে দিনে এক বা দুই কাপের বেশি চা খাওয়া চলবে না।”এশিয়ার দেশ গুলির মধ্যে পাকিস্তান সবচেয়ে বেশি চা আমদানি করে। ২০২০-২১ আর্থিক বর্ষে পাকিস্তান ৬০ কোটি টাকার মুল্যের চা আমদানি করেছে বিদেশ থেকে।সবচেয়ে বেশি ভারত থেকেই চা কেনে পাকিস্তান।কিন্তু এই মুহুর্তে পাকিস্তানে ব্যাপক হারে কমেছে বিদেশি মুদ্রার পরিমান। একই সঙ্গে দেশে মজুত নেই কয়লাও।আর্থিক অনটনের জেরে আমদানিও করা যাচ্ছে না কয়লা। যার জেরে ব্যাহত হচ্ছে বিদ্যুৎ উৎপাদনও।
পাক মন্ত্রীর এ হেন ঘোষণায় রীতিমত বিরক্ত নেটিজেনরা। এমনকি এই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতেও কম চর্চা হচ্ছে না এই বিষয় নিয়ে। তাদের প্রশ্ন চা খাওয়া বন্ধ করে দিলেই কি দেশের অর্থনৈতিক উন্নতি হবে? পাকিস্তানের অর্থনীতি এখন একটা কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। সে দেশের মূল্যবৃদ্ধির হার ১৩.৮ শতাংশে পৌঁছেছে। ফল স্বরূপ খাদ্য সংকটও খুব শোচনীয় জায়গায় পৌঁছেছে। সর্বোপরি সে দেশের পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়াবহ হয়ে উঠছে।


More Stories
হরমুজ প্রণালী, রান্নার গ্যাস ও তেল এবং ভারত -ইরানের সম্পর্ক
যুদ্ধের জাঁতাকলে ভারত
ইতিহাস গড়তে পারল না নেপাল, ইংল্যান্ডের কাছে হার মাত্র ৪ রানে