Home » ৬০ হাজারে বাজিমাত ?

৬০ হাজারে বাজিমাত ?

চুমকী সূত্রধর, সময় কলকাতা : নেই নেই-য়ের বাজারে পুজো কমিটির অনুদানে অতিরিক্ত ১০ হাজার টাকা। বাড়তি ১০ কি চাপে ফেলবে বিরোধীদের ? রাজনৈতিক মহলে কানাঘুষো তুঙ্গে।

এই অনুদানকে শুধুমাত্র অনুদান হিসেবে দেখলে ভুল হবে। দুর্গাপুজোকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দিয়েছে ইউনেস্কো। তারপর এবছর প্রথম দুর্গাপুজো।

সোমবার বিকেলে নেতাজি ইনডোর থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কী ঘোষণা করতে চলেছেন, সেদিকেই তাকিয়ে ছিল বাংলার মানুষ। তবে, বারবার মুখ্যমন্ত্রীর মুখে কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগ উঠে আসায় অনেকেই ভেবেছিলেন এবারও ওই ৫০ হাজার টাকা করেই দুর্গাপুজো কমিটিগুলোকে দেবে রাজ্য সরকার। কিন্তু, এই পরিস্থিতিতে ফের নয়া চমক দিয়েছেন দিদি। তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, এবছর ৬০ হাজার টাকা করে পাবে পুজো কমিটিগুলি।

প্রশ্ন উঠেছে জনগণের টাকা নিয়েই তো এই অনুদান। এই দুর্মূল্যের বাজারে এই অনুদান কেন? রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই অনুদান শুধুই অনুদান হিসেবে দেখলে ভুল হবে। এই অনুদানও আসলে লক্ষ্ণীর ভাণ্ডার, স্বাস্থ্যসাথীর মতোই একপ্রকার জনসমর্থন তৈরি করা। এটা প্রতীয়মান, কলকাতা সহ বাংলায় প্রায় সব পুজো কমিটি গুলিই শাসকদলের নেতৃত্বের সন্তামসম। পুজোয় বড় অনুদান, নেতার সঙ্গে মাখামাখি থাকলে স্পনসর পাওয়া, পুলিশি পারমিশন- সবটুকুই মসৃণভাবেই হয়। তারপর মুখ্যমন্ত্রীর এই অনুদান হল উপরি পাওনা। এটা কি স্রেফ অনুদান? বিরোধীরা ওপর ওপর কটাক্ষ করলেও এটা যে মমতার মাস্টার স্ট্রোক, তা বেশ ভালোই টের পাচ্ছেন তাঁরা। এটা পাইয়ে দেওয়ার রাজনীতি, যে রাজনীতিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন ‘রাবড়ি রাজনীতি’। যে রাজনীতিতে বাংলার মেয়ে আরও একবার মাত দিলেন। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন,এই দুর্নীতির অভিযোগের বাজারেও যে রাজনীতিতে পা পিছলে গেল বিরোধীদের।।

About Post Author