সময় কলকাতা ডেস্ক: পুরনো পঞ্চায়েত ভবন ভেঙে কমিউনিটি হল তৈরির কাজ শুরু হয়েছে মালদার বাহারাল পঞ্চায়েতে। সেই ভবনের ভাঙা সামগ্রী বিনা টেন্ডারে বিক্রি করে আত্মসাৎ এর অভিযোগ প্রধান ও উপপ্রধানের বিরুদ্ধে। অভিযোগ দায়ের পুলিশ ও প্রশাসনের কাছে।
মালদার বাহারাল পঞ্চায়েত।এই পঞ্চায়েতের তিনটি পুরনো ভবন ভেঙে একটি কমিউনিটি হল তৈরির পরিকল্পনা করে তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েত সদস্যরা। তার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে প্রায় ২২ লক্ষ টাকা। টেন্ডার করে ভবন ভাঙা শুরু হয়। আর তার পরেই প্রকাশ্যে দূর্নীতির অভিযোগ তুলতে শুরু করে তৃণমূলের একাংশ।পঞ্চায়েতের প্রধান জুসি সাহা মন্ডল ও উপপ্রধান হিম্মাত খানের বিরুদ্ধে ভাঙা ভবনের সামগ্রী লুঠ করার অভিযোগ তোলে পঞ্চায়েত সদস্য ও স্থানীয়রা। সেই অভিযোগের কথা লিখিত ভাবে পুলিশ ও বিডিও কেও জানান তাঁরা।

বাহারাল পঞ্চায়েতের পুরানো ভবনের সামগ্রী বিক্রি নিয়ে দূর্নীতির অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছেন উপপ্রধান হিম্মত খান।তাঁর দাবি টেন্ডার করে ঠিকাদার সংস্থাকে সব কিছুর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।আর সেই টেন্ডারের রেজুলেশন করে বিডিও থেকে অনুমোদনও নেওয়া হয়েছে। উপ প্রধান হিম্মত খানের দাবি এই দূর্নীতির অভিযোগের পিছনে নব্য তৃণমূলিদের কারসাজি রয়েছে। মালদার এই ঘটনায় ফের প্রকাশ্যে নব্য ও আদি তৃণমূলের কোন্দল।


More Stories
বিধায়ক শঙ্করের হাত ধরে বারাসাতে সৃজন, কর্মসংস্থানের বিপুল সম্ভাবনা
হেলমেট নেই, পুলিশের হাতে হোমগার্ডের জরিমানা
মিলেছে”প্রমাণ “, বারাসাত কলেজে গোপনে মদ্যপান ও যৌনশিক্ষার আসর চলার অভিযোগ