সময় কলকাতা ডেস্ক, ১১ ফেব্রুয়ারি: শনিবার সকালেই বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে ঘণ্টাদুয়েক একান্ত বৈঠক করেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। আর সেই বৈঠকের পরই রাজভবন থেকে কড়া বিবৃতি জারি করা হল। বিবৃতিতে রাজ্যপালের গত দুই মাসের অভিজ্ঞতা থেকে মূলত তিনটি বিষয় উল্লেখ করে রাজ্যকে কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে। প্রথমত, ভারতের সংবিধানকে অক্ষুন্ন রাখা। দ্বিতীয়ত, রাজ্যে আইনের শাসন সুনিশ্চিত করা এবং তৃতীয়ত, বাংলার উন্নয়নের স্বার্থে কাজ করা। যদিও বিরোধী দল রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও আলোচনার প্রসঙ্গও তুলে ধরা হয়েছে ওই বিবৃতিতে।

রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস জানিয়েছেন, সুকান্ত মজুমদার তাঁর কাছে রাজ্যে দুর্নীতি ও বেনিয়মের পাশাপাশি পঞ্চায়েত নির্বাচনে আগাম সন্ত্রাসের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। রাজভবনের তরফে জারি করা বিবৃতিতে রাজ্যপাল আরও জানিয়েছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করার ক্ষেত্রে যথা সময়ে ‘কার্যকরী ও সক্রিয়’ হস্তক্ষেপ করা হবে। নির্বাচনে হিংসার কোনও স্থান নেই এবং আসন্ন পঞ্চায়েত ভোট যাতে অবাধ, শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হয়, তা-ও নিশ্চিত করা হবে।

রাজ্যপাল ও সুকান্ত মজুমদারের মধ্যে সাক্ষাৎ নিয়ে এর আগেই রাজ্য রাজনীতিতে কৌতুহল তৈরি হয়েছিল। যদিও সুকান্ত মজুমদার এটাকে সৌজন্য সাক্ষাৎ হিসেবেই ব্যাখ্যা করেছিলেন। কিন্তু তৃণমূলের মুখপাত্র তথা রাজ্য সম্পাদক কুণাল ঘোষ দাবি করেছিলেন, বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিজেপির বিধায়কেরা যে ভাবে রাজ্যপালকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন, সুকান্ত সেই বিষয়েই ক্ষমা চাইতে রাজভবনে গিয়েছিলেন। কিন্তু রাজভবনের তরফে জারি করা বিবৃতির পরই পরিস্থিতি পাল্টে গেল। এখন দেখার এরপর ফের রাজভবন-রাজ্য সংঘাতের আবহ তৈরি হয় কিনা। যদিও এখনও পর্যন্ত তৃণমূলের তরফে এই বিষয়ে মুখ খোলা হয়নি।


More Stories
কেন ফুল বদলালেন লিয়েন্ডার পেজ?
বারাসাতে মিছিল কি তৃণমূলের শেষের শুরুর ইঙ্গিত ?
পাটুলিতে শুট আউট, নিহত যুবক