Home » গরু পাচার মামলায় শুল্ক দফতরের চার কর্তাকে নোটিস সিবিআইয়ের

গরু পাচার মামলায় শুল্ক দফতরের চার কর্তাকে নোটিস সিবিআইয়ের

সময় কলকাতা ডেস্ক,৩ এপ্রিলঃ গরু পাচার মামলার নয়া মোড়। এবার শুল্ক দফতরের চার কর্তাকে নোটিস পাঠাল সিবিআই। সূত্রের খবর, চলতি সপ্তাহেই তাঁদেরকে নিজাম প্যালেসে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। এর আগেও সরু পাচার মামলার তদন্তে একাধিক শুল্ক দফতরের কর্তার বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছিল। এবার তলব করা হল শুল্ক দফতরের অফিসারদের। এর আগে গরু পাচার মামলায় বিএসএফ অফিসার সতীশ কুমারকে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই।

আরও পড়ুন    গরু পাচার মামলায় ফের ১২ দিনের জেল হেফাজত অনুব্রত মণ্ডলের

ইতিমধ্যেই গরু পাচার মামলায় বীরভূমের চালকল মালিক রবিন টিব্রেওয়ালকে তলব করেছিল সিবিআই। গরু পাচার মামলার প্রধান অভিযুক্ত এনামুল হকের সঙ্গে ওই চালকল মালিকের আর্থিক লেনদেনের তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। সেই লেনদেনের সূত্র ধরেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁদের। কিন্তু,তাঁরা একাধিক প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গিয়েছে বলেই সূত্রের খবর। কার্যত সেকারণেই ওই চালকল মালিককে আবারও তলব করা হয়েছে। এদিকে,গরু পাচারকাণ্ডে সোমবারই ফের সিউড়ি থানার আইসি মহম্মদ আলিকে তলব করেছিল ইডি-র। সূত্রের খবর,বয়ানে একাধিক অসঙ্গতি থাকার কারণে মহম্মদ আলিকে দ্বিতীয়বার তলব করা হয়েছে। এর আগে গরু পাচার মামলায় সিউড়ি থানার আইসি মহম্মদ আলিকে শনিবার দু’দফায় প্রায় নয় ঘণ্টা ধরে তাঁকে ম্যারাথন জেরা করে ইডি। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রাত প্রায় দশটা নাগাদ ইডির অফিস থেকে বেরোন তিনি।

ইডি-র দাবি, পাচারকারীদের সাহায্যের জন্য মোটা অঙ্কের ‘প্রোটেকশন মানি’ পেতেন সিউড়ি থানার আইসি মহম্মদ আলি। এমনকী তাঁর শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বেশ কিছু সম্পত্তির হদিশ পাওয়া গিয়েছে। কার্যত সেকারণেই তাঁকে দিল্লিতে তলব করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিকরা। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে,গরু পাচার চক্রের সঙ্গে যে মোটা অঙ্কের কালো টাকা জড়িয়ে রয়েছে,সেই কালো টাকা কীভাবে সাদা করা হত, তা জানতেই ফের তলব করা হয়েছে। এই গরু পাচারের টাকা কোন পথে ঘোরানো হত, কোন সংস্থায় কত টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে,কার নির্দেশ মতো এই টাকা বিনিয়োগ হয়েছে, সেইসব বিষয়ে জানতেই শনিবার সিউড়ি থানার আইসি মহম্মদ শেখ আলিকে তলব করা হয়েছিল বলেই সূত্রের খবর।

উল্লেখ্য, কয়লা ও গরু– জোড়া পাচার মামলাতেই জড়িত সিউড়ি থানার আইসি মহম্মদ আলি। অনুব্রত মণ্ডল, সায়গল হোসেনের এই অবৈধ পাচার প্রক্রিয়ায় মোটা টাকার বিনিময়ে তিনি চুপ করে থাকতেন, এই অভিযোগ উঠেছে মহম্মদ আলির বিরুদ্ধে। ইডি সূত্রে খবর, গত কয়েকমাসে অনুব্রত মণ্ডলের মামলা চালানোর খরচও জুগিয়েছিলেন বীরভূমের সিউড়ি থানার আইসি মহম্মদ আলি। কিছুদিন আগেই কয়লা পাচার কাণ্ডে তাঁকে সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করা হয়েছিল। সেসময় তিনি হাজিরাও দিয়েছিলেন।

About Post Author