সময় কলকাতা ডেস্ক,৩০ এপ্রিল: সারাদিনের কাজের পর রাতে টানা ঘুম। আর ঘুম থেকে ওঠার পর দেহ ও মন চাঙ্গা লাগে। কর্মব্যস্ত জীবনে এটাই ডেইলি রুটিন। কিন্তু, দীর্ঘ ৭- ৮ ঘন্টা ঘুমের পর যখন ক্লান্তিভাব শরীরকে ঘিরে ধরে। তখন এই ভাবনাই মাথায় ঘোরে যে, প্রচুর কাজে ক্লান্ত হয়ে পড়ছে শরীর। কেমন একটা দুর্বলভাব অনুভূত হয়। সারাক্ষণ হাই ওঠে। কাজে মন বসে না। মনে হয় আর কিছুক্ষণ ঘুমিয়ে নিলে বোধহয় ভালো হতো।

জানেন কী কেন এরকম হয় ?
আয়রন আমাদের শরীরে হিমোগ্লোবিন তৈরি করে। রক্তে অক্সিজেনের মাত্রাও ঠিক রাখে। এই অক্সিজেনের ঘাটতি হলেই দুর্বল লাগতে থাকে শরীর। মাথা ঝিমঝিম করা,চোখে মুখে অবসন্ন ভাব চোখে পড়ে। শরীরে আয়রনের ঘাটতির নানা লক্ষণ রয়েছে। সকালে ঘুম থেকে উঠেও ক্লান্ত লাগে শরীর। মুখে,চোখে ফ্যাকাসে ভাব। তখন চিকিৎসকের পরামর্শ মতো করাতে হবে হিমোগ্লোবিন পরীক্ষা। রাতের ঘুম সকলেরই প্রয়োজন। ৭ ঘণ্টার কম সময় ঘুমালে অনেক জটিলতা দেখা দিতে পারে। তবে, অনেকেই ৭ ঘণ্টারও বেশি সময় ঘুমান। কিন্তু তারপর তাঁদের শরীর থেকে ক্লান্তি যেতে চায় না। এই ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হলে অবশ্যই সতর্ক হয়ে চিকিৎসকের কাছে যান। কারণ এই জটিলতার পিছনে গুরুতর কিছু সমস্যা থাকলেও থাকতে পারে।

কীভাবে আয়রনের ঘাটতি দূর করা যায় ?
রক্তে আয়রনের মাত্রা বাড়াতে প্রথমেই দরকার এমন কিছু খাবার, যাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। যা খেলে শরীরে আয়রনের শূন্যতা পূর্ণ হয়। খাবারে প্রাপ্ত আয়রন দু’ধরনের— হিম আয়রন ও নন-হিম আয়রন। হিম আয়রন পাওয়া যায় মাছ, মাংস, ডিমে। আর নন-হিম আয়রন পাওয়া যায় উদ্ভিজ্জ খাবার থেকে। ভিটামিন এ এবং সি-সমৃদ্ধ খাবার তালিকায় রাখলে তা আয়রন শোষণ করতে শরীরকে সাহায্য করে। যেমন – কুলে খাড়া, ব্র কলি, টমেটো, বাদাম, ছোলা, বিভিন্ন প্রকারের দানা শস্য, সয়াবিন ইত্যাদি।
আরও পড়ুন লঞ্চ হতে না হতেই প্রকাশ হল দাম,গুগলের নয়া চমক

শরীরে আয়রনের ঘাটতি দূর করতে অনেকে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই আবার আয়রন সাপ্লিমেন্ট খান। তবে এই ধরণের সাপ্লিমেন্ট খেলে অনেক সময় দেখা যায় পেট ব্যথা, বমি বমি ভাব,মাথা ঘোরা, পেট খারাপের মতো যাবতীয় সমস্যা। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কখনোই এগুলি খাওয়া উচিত নয়।


More Stories
বারাসাতে নিপায় আক্রান্ত নার্সের মৃত্যু
সফল সিজারিয়ান, উৎসবের আগমনে উদযাপন ধুপগুড়ি মহকুমা হাসপাতালে
নিপা ভাইরাস বারাসাতে! আক্রান্ত দুই নার্স! সতর্কতা হিসেবে কী করনীয়?