Home » বয়স ৩০ না পেরোতেই ত্বকে বলিরেখা দেখা দিচ্ছে? আপনার জন্য রইল সহজ কিছু সমাধান

বয়স ৩০ না পেরোতেই ত্বকে বলিরেখা দেখা দিচ্ছে? আপনার জন্য রইল সহজ কিছু সমাধান

সময় কলকাতা ডেস্ক,২০ জুলাইঃ বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণের নিউট্রিশনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সময়ের ত্বকে বলিরেখা দেখা দিতে শুরু করে। বয়স ৩০ পেরোলেই ত্বকের শিথিলতা কমতে শুরু করে। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে কোলাজেনের ঘাটতির কারণে ত্বকের ইলাস্টিসিটি নষ্ট হতে শুরু করে। যার ফলে ত্বকে বলিরেখা স্পষ্ট হতে থাকে। তাই বয়স বাড়লে প্রতিদিনের ডায়েটও নজর রাখতে হবে। ত্বকে বলিরেখা পড়ার সঙ্গে সঙ্গে বয়সটা যেন একলাফে দ্বিগুণ বেড়ে যায়। অ্যান্টি-এজিং ক্রিম মেখে ত্বকে বলিরেখা দেখা দেওয়ার সমস্যা কিছুটা সামাল দেওয়া যায়। তবে চিরতরে তা দূর করতে গেলে আপনাকে কয়েকটি বিষয় মেনে চলতে হবে-

পুষ্টিকর খাবার খান
বিট-গাজর সারাবছরই বাজারে পাওয়া যায়। তেলমশলা দেওয়া রান্না বা ভাজাভুজি খাবেন না। বিটের মধ্যে রয়েছে এমন কিছু গুণ রয়েছে যা ত্বকের জন্য ভীষণ কার্যকরী। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ম্যাঙ্গানিজ, পটাসিয়াম, ভিটামিন সি ও আয়রন। ভিটামিন এ ও ক্যারোটিনয়েড রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে লুয়েটিন নামক অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। বিট ত্বক টান টান রাখে।ত্বকের উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে।

আরও পড়ুন    ত্বকের সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনতে বাড়িতেই বানিয়ে ফেলুন জবা ফুলের ফেসপ্যাক

সঠিকভাবে মাসাজ নিন
মাসাজ শরীরের সমস্ত ক্লান্তি ভুলিয়ে দেয়। এতে মানসিক শান্তি মেলে। ত্বকের রক্ত সঞ্চালনে মাসাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। জেড রোলার দিয়ে মাসাজ করা খুবই উপকারী। তবে না থাকলে এই ক্ষেত্রে আঙুলের ডগা দিয়ে চেপে চেপে বৃত্তাকারে মুখ মাসাজ করতে পারেন।


ব্যায়াম করুন
হাজারো কর্মব্যস্ততা থাকলেও খানিকটা সময় বার করে যোগাসন কিংবা ব্যায়াম করুন। এতে ত্বকে রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়। ত্বক থাকে টান টান ও সতেজ। ওয়েট ট্রেনিং, কার্ডিওর মতো ব্যায়াম শরীরের মতো মুখেও একটা টানটান সুডোল ভাব এনে দিতে পারে। মুখের পেশি টান টান রাখতে নিয়মিত চিউয়িং গাম চেবান।
প্রচুর পরিমানে জল পান করা
জল শরীরের জন্য কতটা উপকারী তা মোটামুটি সবাই জানে। জলের গুনে রয়েছে জুলি মেলা ভার। ত্বকের উজ্জ্বলতা আর ইলাস্টিসিটি দুটোই বাড়বে শরীর হাইড্রেটেড থাকলে। জল আর্দ্রতার ঘাটতি মেটায়, শরীরে জমে থাকা টক্সিন দূর করে।সারাদিনে কম করে ৩- ৪ লিটার জল খান।

 

About Post Author