Home » গরু পাচার মামলায় ফের পিছিয়ে গেল অনুব্রত কন্যা সুকন্যা মণ্ডলের জামিনের শুনানি

গরু পাচার মামলায় ফের পিছিয়ে গেল অনুব্রত কন্যা সুকন্যা মণ্ডলের জামিনের শুনানি

সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৯ আগস্ট: গরু পাচার মামলার ফের পিছিয়ে গেল বীরভূমের দাপুটে নেতা অনুব্রত মণ্ডলের কন্যা সুকন্যা মণ্ডলের জামিনের মামলার শুনানি। মঙ্গলবার দিল্লি হাইকোর্টে সুকন্যা মণ্ডলের কোনও আইনজীবী উপস্থিত না থাকায় এই মামলার শুনানি পিছিয়ে যায়। আগামি ২৭ সেপ্টেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে বলেই জানিয়েছেন দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি দীনেশ কুমার শর্মা। এর আগেও একাধিকবার অসুস্থতার কথা জানিয়ে জামিনের আবেদন জানিয়েছিলেন সুকন্যা। যদিও পরে তা খারিজ হয়ে যায়। প্রথমদিকে সুকন্যার হয়ে মামলা লড়ছিলেন বিচারপতি অমিত কুমার। পরবর্তীতে সরিয়ে দেওয়া হয় তাঁকে। এর আগে গত ১৮ আগস্ট ফের অনুব্রত, সুকন্যা ও সায়গলের জেল হেফাজতের মেয়াদ বৃদ্ধি পায়। ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেই সূত্রের খবর।

গরু পাচার মামলায় ইতিমধ্যেই অনুব্রত মণ্ডল ঘনিষ্ঠ বিদ্যুৎ বরণ গায়েনের বাড়িতে সিবিআই হানা দিয়েছিল। প্রায় ঘণ্টাখানেক তাঁর বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চলে। উল্লখ্যে,গরু পাচার মামলায় অনুব্রত মণ্ডল গ্রেফতার হওয়ার পরই অনুব্রতর সম্পত্তির খোঁজে তল্লাশি করতেই উঠে আসে তাঁর মেয়ে সুকন্যা মণ্ডলের নাম। তাঁর নামে একাধিক সম্পত্তি ও কোম্পানির হদিশ মেলে। এছাড়াও সামনে আসে বোলপুরে কোটি কোটি টাকার জমির পাশাপাশি তৃণমূল নেতার একাধিক রাইস মিলের একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য। জানা গিয়েছে, ২০১২-১৩ সাল থেকে অনুব্রত মণ্ডলের মেয়ে সুকন্যা মণ্ডলের সম্পত্তির পরিমাণ লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে শুরু করে।

আরও পড়ুন   ছাত্রমৃত্যুর জের, যাদবপুরে সিসিটিভি বসানো নিয়ে উপাচার্যের কক্ষ ঘেরাও করে বিক্ষোভ পড়ুয়াদের

পেশায় একজন শিক্ষিকা হয়েও সেই সময় সুকন্যার বার্ষিক আয় ছিল ৩ লক্ষ ১০ হাজার টাকা। পরের বছর তা বেড়ে হয় ৮ লক্ষ টাকা এবং ঠিক তার পরের বছর বেড়ে দাঁড়ায় ১০ লক্ষ টাকা। ২০১৫-১৬ আর্থিক বর্ষে সুকন্যা মন্ডলের বার্ষিক আয় লাফিয়ে বেড়ে দাঁড়ায় ৪৯ লক্ষ ৩২ হাজার টাকায়। পরবর্তী আর্থিক বছরে বার্ষিক আয় বেড়ে দাঁড়ায় আরও ২ লক্ষ টাকা। ২০১৮-১৯ আর্থিক বর্ষে সুকন্যা মন্ডলের বার্ষিক আয় বেড়ে হয় ১ কোটি ২৯ লক্ষ টাকায়। ২০১৯-২০ আর্থিক বর্ষে বার্ষিক আয় বেড়ে দাঁড়ায় ১ কোটি ৪৫ লক্ষ টাকায়। ২০২০-২১ আর্থিক বর্ষে বার্ষিক আয় কিছুটা হলেও কমে এবং তা দাঁড়ায় ৯২ লক্ষ ৯৭ হাজার টাকা। যা কার্যত চিন্তা বাড়িয়েছে তদন্তকারী সংস্থাগুলোর।

About Post Author