Home » রানিনগর পঞ্চায়েতে স্থায়ী সমিতির বোর্ড গঠন নিয়ে স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

রানিনগর পঞ্চায়েতে স্থায়ী সমিতির বোর্ড গঠন নিয়ে স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১০ সেপ্টেম্বরঃ মুর্শিদাবাদের রানিনগর পঞ্চায়েতে স্থায়ী সমিতির বোর্ড গঠন নিয়ে তৃণমূল ও কংগ্রেসের দ্বন্দ্ব চরমে উঠেছে। এহেন পরিস্থিতিতে এবার মুর্শিদাবাদের রানিনগর পঞ্চায়েত সমিতির স্থায়ী সমিতির বোর্ড গঠনে অর্ন্তবর্তী স্থগিতাদেশ নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের। সোমবার পঞ্চায়েতের স্থায়ী সমিতির নির্বাচনের কথা ঘোষণা করা হয়। পুলিশের তরফে এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে নির্বাচনের প্রস্তুতিও নেওয়া হয়। এরপরই এদিন বিচারপতি অমৃতা সিনহা নির্দেশ দেন, যদি বোর্ড গঠন হয়ে যায়, তাহলেও ২০ সেপ্টেম্বরের আগে ওই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত করা যাবে না। মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ১৪ সেপ্টেম্বর হবে বলেই জানা গিয়েছে। হাইকোর্টের এই নির্দেশ নিয়ে আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, ‘বাংলার গণতান্ত্র এতটাই নীচে চলে গিয়েছে যে একটা বোর্ড গঠনের জন্যও আদালতকে হস্তক্ষেপ করতে হচ্ছে। তৃণমূল কংগ্রেস একটা ভোটেও জিততে না পারলে মানবিকতার বিরুদ্ধে দাঁড় করাচ্ছে। সংবিধানকে অমর্যাদা করছে। এরপর যদি তৃণমূলের শিক্ষা না হয়,তাহলে আমাদের দুর্ভাগ্য।’

ইতিমধ্যেই আদালতের এই নির্দেশকে স্বাগত জানিয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বিচার ব্যবস্থার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। তৃণমূল এমনই একতা দল, এদের সব খেয়েও পেট ভরেনা।’ উল্লেখ্য, মুর্শিদাবাদের রানিনগর পঞ্চায়েত সমিতির মোট আসন সংখ্যা ২৭। এর মধ্যে বাম-কংগ্রেস জোট জয়ী হয় ১৪টি আসনে। যার মধ্যে সিপিএম ৪, কংগ্রেস ৯ এবং আরএসপি ১টি আসনে জয়ী হয়। এরপরই বাম কংগ্রেস জোটের তরফ থেকে সভাপতি করা হয় কংগ্রেসের কুদ্দুস আলিকে।

আরও পড়ুন   চুম্বন বিতর্কে অবশেষে ইস্তফা স্পেন কর্তার 

গত শুক্রবার রাতেই মুর্শিদাবাদের রানিনগর পঞ্চায়েত স্থায়ী সমিতি গঠন নিয়ে তৃণমূল ও কংগ্রেসের দ্বন্দ্ব চরমে ওঠে। এরপরেই রানিনগর থানায় চড়াও হয় কংগ্রেস কর্মীরা। থানায় ভাঙচুর, এমনকী আগুন লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। ভাঙচুর- অগ্নিসংযোগে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। ঘটনায় প্রায় ৩৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এমনকী থানায় অশান্তির ঘটনায় পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কুদ্দুস আলিকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। যদিও অশান্তির ঘটনার পরই থানায় গিয়ে ক্ষমা চান কংগ্রেস সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরী। কংগ্রেসের তরফে তৃণমূলের জোর খাটানোর অভিযোগ তোলা হয়।

About Post Author