Home » প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিট প্রধানকে তলব বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিট প্রধানকে তলব বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

সময় কলকাতা ডেস্ক, ২০ সেপ্টেম্বরঃ প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই যেন ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য। প্রাথমিকে নিয়োগের ক্ষেত্রে একাধিকবার বেনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল। এমনকী প্রাথমিকে ৩২ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এরপরই বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশে প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই তদন্ত শুরু করেছিল। কিন্তু সিবিআই তদন্ত একেবারেই সন্তুষ্ট নয় বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এহেন পরিস্থিতিতে এবার সিট প্রধান অশ্বিন শেণভিকে আদালতে তলব করলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

আরও পড়ুন    রানিনগর পঞ্চায়েতে স্থায়ী সমিতির নির্বাচনে নয়া নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

মঙ্গলবার বিচারপতি বলেন, ‘সিবিআই ফেল করেছে সেটা সারা দেশ জানুক। প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআইয়ের ভূমিকা খুবই খারাপ। এমন অনেক প্রশ্নই ঠিক মত করেননি সিবিআই আধিকারিকরা।’ আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর দুপুর ২টোয় সিটের প্রধান অশ্বিন শেণভিকে সশরীরে হাজিরা দিতে হবে বলেই বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছেন। যদিও এর আগেও বহুবার প্রাথমিকে নিয়োগের মামলায় সিবিআইকে ভর্ৎসনা করেছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। মঙ্গলবার ফের একবার বিচারপতির ভর্ৎসনার মুখে পড়ল সিবিআই। উল্লেখ্য, প্রাথমিকে ৩২ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। চলতি মাসেই এই মামলায় হাইকোর্টে বড়সড় স্বস্তি পেয়েছেন প্রাথমিকের ৩২ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষিকা।

হাইকোর্টের বিচারপতি সৌমেন সেন এবং বিচারপতি উদয় কুমারের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, আপাতত বাতিল হচ্ছে না নিয়োগ। নতুন করে আর কোনও ইন্টারভিউ দিতে হবে না। এর আগে সুপ্রিম কোর্ট নতুন করে ইন্টারভিউ নেওয়ার নির্দেশ খারিজ করে দিয়ে সেই মামলা হাইকোর্টে পাঠিয়েছিল। হাইকোর্টেই এখনও চলছে মামলার শুনানি। অভিযোগ ছিল, প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে অ্যাপটিটিউড টেস্ট নেওয়া হয়নি। তাই ওই নিয়োগ বাতিল করে নতুন করে তাঁদেরকে ইন্টারভিউ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এরপরই হাইকোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিল, শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত ৩২ হাজার শিক্ষকদের চাকরি বাতিল করা যাবে না। এমনকী নিয়ম মেনে তাঁরা বেতনও পাবেন।

About Post Author