Home » অজস্র সুযোগ নষ্টের খেসারত, ড্র করে আইএসএল অভিযান শুরু করল ইস্টবেঙ্গল

অজস্র সুযোগ নষ্টের খেসারত, ড্র করে আইএসএল অভিযান শুরু করল ইস্টবেঙ্গল

স্পোর্টস ডেস্ক, সময় কলকাতা, ২৬ সেপ্টেম্বর: অজস্র সুযোগ নষ্টের খেসারত দিতে হল ইস্টবেঙ্গলকে। ঘরের মাঠে জামশেদপুরের বিরুদ্ধে ড্র করে ইন্ডিয়ান সুপার লিগের অভিযান শুরু করল লাল-হলুদ। ম্যাচের ফল গোলশূন্য। দুই অর্ধে দুটি দল একাধিক গোলের সুযোগ তৈরি করলেও লক্ষ্যভেদ করতে পারেনি।

গত চার মরশুমে ইন্ডিয়ান সুপার লিগে ব্যর্থতা ছাড়া আর কিছু জোটেনি ইস্টবেঙ্গলের ভাগ্যে। নতুন মরশুমে নতুন কোচ, নতুন দল নিয়ে ভাগ্য অন্বেষণে লাল-হলুদ ব্রিগেড। তবে আশা জাগিয়েও ইন্ডিয়ান সুপার লিগে জয় দিয়ে অভিযান শুরু করতে পারলনা ইস্টবেঙ্গল। প্রথম ম্যাচেই আটকে গেল ইস্পাত নগরীর দলের বিরুদ্ধে। যদিও নিজেদের প্রাপ্ত সুযোগ সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে স্কোরবোর্ড অন্যরকম হতেই পারত।

আরও পড়ুন: আইএসএলে ভালো কিছু করে দেখাতে এবার বদ্ধপরিকর ইস্টবেঙ্গল

সোমবার শুরু থেকে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে কার্লেস কুয়াদ্রাতের ছেলেরা। দুটি প্রান্ত থেকে কখনও মহেশ, কখনও ক্রেসপো, কখনও নন্দ কুমার আক্রমণ তুলে আনলেন। ক্লেইটনের বদলে শুরু করা সিভেরিও বেশ কয়েকবার গোলের খুব কাছে পৌঁছে গেলেও, কাজের কাজটি করতে পারেননি। এক্ষেত্রে শুধু সিভেরিওর উপর দায় চাপালে ম্যাচের সঠিক মূল্যায়ণ হবে না। জামশেদপুরের গোলরক্ষক টিপি রেহনেশ অনেকগুলি ভালো সেভ করেন। এছাড়াও ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার এলশিনো এই ম্যাচে ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণ ও গোলের মধ্যে প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। ঠান্ডা মাথায় ইস্টবেঙ্গলের একের পর এক আক্রমণ সামাল দেন তিনি। তাঁর ইস্পাত কঠিন মানসিকতার কাছে বারবার আটকে যায় ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণ।

প্রথমার্ধে যুবভারতীতে লাল হলুদের দাপট থাকলেও। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে ম্যাচে ফেরে জামশেদপুর। প্রতি আক্রমণে ইস্টবেঙ্গল দুর্গে হানা দিচ্ছিলেন চিমা, নাওরেম, বার্লা, প্রণয়রা। প্রথমার্ধের ইস্টবেঙ্গলের ফুটবলারদের যতটা সঙ্ঘবদ্ধ মনে হয়েছে। দ্বিতীয়ার্ধে ততটাই ছন্নছাড়া ফুটবল খেলে তাঁরা। লাল হলুদ ফুটবলারদের ভুল পাস, বল হারানোর সুযোগ নিয়ে পাল্টা আক্রমণে ওঠে জামশেদপুর ফুটবলাররা। দ্বিতীয়ার্ধের মাঝামাঝি সময় বেশ কয়েকটি পরিবর্তন করে দুই দলের কোচ। গোলের জন্য মরিয়া ইস্টবেঙ্গল কোচ মাঠে নামান ক্লেইটনকে। জোড়া স্ট্রাইকারকে নামিয়েও গোলমুখ খুলতে পারেনি লালহলুদ ব্রিগেড। দ্বিতীয়ার্ধের সংযুক্তি সময় জামশেদপুরের ইমরান খানকে নিজেদের বক্সের মধ্যে টেনে ধরেন খাবরা। যদিও রেফারি তাঁদের পেনাল্টির আবেদনে সাড়া না দিয়ে খেলা চালিয়ে যেতে নির্দেশ দেন। ৯৬ মিনিটে সল ক্রেস্পোকে ফাউল করেন জামশেদপুরের এমিল বেনি। প্রথমে লাল কার্ড দেখানোর সিধান্ত নেন রেফারি। যদিও পরে সেই সিধান্ত বাতিল করে হলুদ কার্ড দেখান। হলুদ কার্ড দেখেন ক্রেস্পোও। দ্বিতীয়ার্ধে দুটি দল বিক্ষিপ্তভাবে অনেকগুলি গোলের সুযোগ তৈরি করেছিল। তবে ফাইনাল থার্ড অঞ্চলে ফুটবলারদের ব্যর্থতায় স্কোরবোর্ড অপরিবর্তিত থাকে।

About Post Author