সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৩ অক্টোবর : “হে চিন্ময়ী , হিমগিরি থেকে এলে, এলে তারে রেখে নির্মল প্রাতে। বসুন্ধরা যে সুবিমল সাজে অঞ্জলি হাতে। হে চিন্ময়ী . . .”
দমদমের নোয়াপাড়ায় ভট্টাচার্য বাড়ির দুর্গাপুজোর এবার ১২ তম বর্ষ। সময় কলকাতার কর্ণধার প্রীতম ভট্টাচার্যে এই পুজোর বর্তমান প্রজন্মের মুখ। ভট্টাচার্যবাড়ির পুজোর ইতিহাস আজকের নয়। বহুবছর আগে শুরু হলেও মাঝখানে বেশ কিছু বছর সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। ভট্টাচার্য বাড়ি বরাবরই বাঙালির ঐতিহ্যর ধারক ও বাহক, বাঙালির পুজোর রীতি ও রেওয়াজ ধরে রাখার জন্য উদ্যোগী হতে তাদের সময় লাগে নি।
পরবর্তী সময়কালে প্রীতম ভট্টাচার্য এই পারিবারিক পুজোর দায়িত্ব নেন এবং এই পুজো সুনিপুণভাবে আয়োজন করে চলেছেন বছরের পর বছর। বাড়ির এই পুজো কিরে আত্মীয়-স্বজন বন্ধু-বান্ধব পাড়া প্রতিবেশীদের আসা-যাওয়া এবং পাত পেড়ে খাওয়া উপরি-পাওনা। একচালা প্রতিমা ডাকের সাজের, মৃন্ময়ী মায়ের চিন্ময়ী রূপ ফুটে উঠেছে।
অধুনা বাংলাদেশের চট্টগ্রামের রাউজান থানার কদলপুরে ভট্টাচার্য বাড়ির পুজোর ঐতিহ্য সুপ্রাচীন। বর্তমানে দুর্গাবাড়ির পুজো নামে বারোয়ারি পুজো হিসেবে একটি পুজো সেখানে হয়। ভট্টাচার্য বাড়ি বহুদিন হল এপার বঙ্গে বাস করেন। দমদমে ভট্টাচার্য বাড়িতে একযুগ ধরে দুর্গার আরাধনা হয়ে চলেছে সাড়ম্বরে। রক্তে সাবেকিয়ানা নিয়ে সনাতনী ধারার দুর্গাপুজো আধুনিকতার মোড়কে ভট্টাচার্য বাড়ির পুজো। আবেগ আর আধ্যাত্মিকতার মেলবন্ধনে পুজোর সৌরভ ছড়িয়ে আছে ভট্টাচার্য বাড়ির রন্ধ্রে রন্ধ্রে।।


More Stories
বাংলা নববর্ষের ইতিহাস
চিকিৎসকের বঙ্গসংস্কৃতির উদযাপন নববর্ষে
দোল উৎসব : রাঙিয়ে দিয়ে যাও