Home » পরপর জোরাল ভূমিকম্প জাপানে, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩২

পরপর জোরাল ভূমিকম্প জাপানে, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩২

সময় কলকাতা ডেস্ক, ২ জানুয়ারিঃ বছরের প্রথম দিনই পরপর জোরাল ভূমিকম্প জাপানে। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, এদিন মোট ১৫৬ বার জাপানে কম্পন অনুভূত হয়। প্রত্যেকবারই রিখটার স্কেলে কম্পনের তীব্রতা ছিল ৭.৪,৭.৬ ও ৬। সোমবার দুপুরের পর থেকে ক্রমশ বেড়েই চলেছে মৃতের সংখ্যা। ভূমিকম্পের জেরে এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩২। ইতিমধ্যেই সুনামি সতর্কতা জারি হয়েছে,ক্রমশ বাড়ছে জলস্তর। ৩৩ হাজার পরিবার বিদ্যুৎহীন। 

আরও পড়ুন   OPTICALILLUSION: ১ শতাংশ জিনিয়াস পারবে নীচের দেওয়া ছবি দুটি থেকে ১০ সেকেন্ডের মধ্যে ৩ টি পার্থক্য খুঁজে বের করতে

উল্লেখ্য, সোমবার ভোররাতে ভয়াবহ ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে জাপানের রাজধানী টোকিও থেকে একটু দূরে কান্তো এলাকা। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৭.৪। ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল জাপানের উত্তর-পশ্চিমে ইশিকাওয়া। ইশিকাওয়া ও সংলগ্ন এলাকায় জোরাল ভূমিকম্প হয়। ভূমিকম্পের তীব্রতা অতিরিক্ত হওয়ায় টোকি ও কান্তো এলাকাতেও জোরাল কম্পন হয়। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা। ভূমিকম্পের পরই উত্তাল হয়ে ওঠে সমুদ্র। বাড়তে থাকে জলস্তর। এরপরই জাপানের আবহাওয়া দফতরের তরফে উত্তর-পশ্চিম উপকূলে সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়।

ইশিকাওয়ার উপকূলে সমুদ্রের ঢেউ ৫ মিটার পর্যন্ত উঁচু হতে পারে বলে সতর্কবার্তা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। এদিন ভূমিকম্পের পরই স্থানীয় প্রশাসনের তড়িঘড়ি উত্তর-পশ্চিমের সমুদ্র উপকূলবর্তী বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরানো হয়। অন্যদিকে, জাপানের এই ভূমিকম্পের জেরে রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার উপকূলবর্তী এলাকাতেও সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, এর আগে ২০১১ সালে ভয়ঙ্কর সুনামি হয়েছিল জাপানে। কমপক্ষে ১৮ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। রিখটার স্কেলে ওই কম্পনের তীব্রতা ছিল ৯। যা জাপানের ইতিহাসে রেকর্ড। এই ভূমিকম্পের পর সুনামিও হয়। বিশাল-বিশাল ঢেউ উপকূলবর্তী বড়-বড় বাড়ি ভাসিয়ে নিয়ে যায়।

About Post Author