সানী রায়, সময় কলকাতা : সময় এগোচ্ছে, সময় পাল্টাচ্ছে না। সাধারণ মানুষের ভোগান্তিও কমে না। মর্মান্তিক এক ঘটনার সাক্ষী হল মেখলিগঞ্জ ।মৃত্যুর পরে অ্যাম্বুলেন্সের অভাবে দু ঘন্টা ধরে হাসপাতালেই পড়ে রইল মৃতদেহ। মেখলিগঞ্জের জামালদহ প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ঘটনা।
উল্লেখ্য,জামালদহ নিবাসী ২৮ বছর বয়সী সঞ্জয় হাজরা শারীরিক অসুস্থতার কারণে মঙ্গলবার জামালদহ প্রাথমিক হাসপাতালে ভর্তি হন, সেখানেই তার মৃত্যু হয় । অপরদিকে মৃতদেহ নিয়ে যাওয়ার জন্য জামালদহের একমাত্র সম্বল স্থানীয় একটি অ্যাম্বুলেন্স, সেই অ্যাম্বুলেন্সের চালককে ফোন করা হলে তিনি বিবিধ কারণ শুনিয়ে হাসপাতালে আসতে নারাজ বলে জানান যা পরিবারের সদস্যদের গ্রহণযোগ্য মনে হয় নি । অপরদিকে, জামালদহ হাসপাতালে সরকারি অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা না থাকায় পরিবারের লোকজনকে মৃতদেহ নিয়ে যেতে বিপাকে পড়তে হয়। প্রায় দু ঘণ্টা হাসপাতালে পরে থাকে মৃত ব্যক্তির দেহ । অতঃপর, দীর্ঘ সময় কেটে যাওয়ার পরে,স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য শিবম নন্দী ও কয়েকজন যুবকের হস্তক্ষেপে বেসরকারি সেই অ্যাম্বুলেন্স চালক হসপিটালে এসে মৃতদেহ নিয়ে যায়। অপরদিকে স্থানীয় সেই এম্বুলেন্স চালক মৃতদেহ না নিয়ে যেতে চাওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেন। তাঁকে নাকী কিছুই সেভাবে বলা হয়নি।
মেখলিগঞ্জ ব্লকের অন্যতম একটি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র জামালদহ প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র। সরকারি অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা না থাকায় দীর্ঘদিন থেকেই বঞ্চনার শিকার হচ্ছেন রোগীর পরিবার পরিজনেরা। কর্তব্যরত মেডিক্যাল অফিসার সংকেত বিশ্বাস হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্সের সমস্যার বিষয়টি স্বীকার করে নেন। স্বাভাবিকভাবেই, অ্যাম্বুলেন্সের অভাবের পাশাপাশি সবেধন নীলমণি অ্যাম্বুলেন্সের পরিষেবার অভাব নিয়েও মেখলিগঞ্জ ও জামালদহ জুড়ে বাড়ছে ক্ষোভ।।
আরও পড়ুন চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ, রোগী মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা আসানসোলের বেসরকারি হাসপাতালে


More Stories
বিধায়ক শঙ্করের হাত ধরে বারাসাতে সৃজন, কর্মসংস্থানের বিপুল সম্ভাবনা
হেলমেট নেই, পুলিশের হাতে হোমগার্ডের জরিমানা
মিলেছে”প্রমাণ “, বারাসাত কলেজে গোপনে মদ্যপান ও যৌনশিক্ষার আসর চলার অভিযোগ