সময় কলকাতা ডেস্ক, ২ সেপ্টেম্বর: নিউটাউনের পর এবার খাস শ্যুটআউট কলকাতায়। মধ্যরাতে এক লরিচালককে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে বাবুঘাট চত্বরে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়। আহত লরিচালক এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ইতিমধ্যে ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে গ্রেফতার করেছে ময়দান থানার পুলিশ। যদিও এখনও ফেরার মূল অভিযুক্ত। নারী সুরক্ষার দাবিতে যখন উত্তাল রাজ্য। সেখানে খাস কলকাতায় একের পর এক শ্যুটআউটের ঘটনা প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে প্রশাসনকে!
বাবুঘাট এলাকার বাজেকদমতলা ঘাটে গুলিবিদ্ধ লরিরিচালক। জানা গিয়েছে, আহত লরিচালকের নাম কান্তি সিং। তিনি হাওড়ার বাসিন্দা। আহত বালির লরি চালাতেন। সেই বালির দাম নিয়ে মালিকের সঙ্গে বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েছিলেন। তার জেরেই এই পরিণাম বলে মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে ময়দান থানার পুলিশ।

পুলিশ সূত্রের খবর, বালি ভর্তি লরি চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য মালিকের সঙ্গে রফা হয় কান্তি সিংয়ের। রফার পরিমাণ ছিল ৩৩ হাজার টাকা। অভিযোগ ফোনে এই চুক্তি হলেও ঘটনাস্থলে লরি পৌঁছলে চালকের হাতে দেওয়া হয় ২৮ হাজার টাকা। এরপর লরি চালক ফোন করে মালিককে পুরো ঘটনাটি জানান। তিনি সেই লরি ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। এই নিয়েই মতবিরোধের সূত্রপাত।

বাবুঘাটে ফিরে আসার সময় লরিকে পিছু নিয়েছিলেন মূল অভিযুক্ত ও তাঁর সঙ্গীরা। বাবুঘাটে গাড়ি ফিরলেই লরি চালককে নিশানা করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। মোট চার রাউন্ড গুলি চালানো হয়েছিল বলে সূত্রের খবর। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ে আহত লরি চালক। পরিস্থিতি খারাপ বুঝে পালিয়ে যায় আততায়ী ও তার দলবল। পুলিশ জানিয়েছে, গুলিটি চালিয়েছিল টিঙ্কুই। তার সঙ্গে ছিল আরও তিনজন। তাঁদের নাম আরিফ, আসিফ ও দানিশ। এদের মধ্যে ময়দান থানায় ইতিমধ্যেই আরিফ ও আসিফকে আটক করা হয়েছে। জখম লরি চালক এখন এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি।
ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ। চলছে ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ। খতিয়ে দেখা হচ্ছে সিসিটিভি ফুটেজও। খুব শীঘ্রই মূল অভিযুক্ত গ্রেফতার হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।


More Stories
মেসিকাণ্ড ঘিরে “কুৎসা”, ৫০ কোটি টাকার মানহানির মামলা করলেন সৌরভ
আরজিকরের তরুণ চিকিৎসকের অস্বাভাবিক মৃত্যু, নেপথ্যে কোন রহস্য ?
নাটকীয় দৃশ্য। সেনার ট্রাক আটকাল কলকাতা পুলিশ !