সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৮ সেপ্টেম্বরঃ পুজোর মুখে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড শিলিগুড়িতে। শনিবার সকালে ভয়াবহ আগুন লাগে শিলিগুড়ির বিধান মার্কেটে। আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি যে আগুন নেভাতে বেগ পেতে হচ্ছে দমকল কর্মীদের। গোটা এলাকা কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছে। ঘিঞ্জি এলাকা হওয়ায় দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী ঘটনাস্থলে এসেছে দমকলের ৫টি ইঞ্জিন। এখনও আগুন নেভানোর কাজ চলছে। ঘটনাস্থলে রয়েছেন পুলিশ ও দমকলের আধিকারিকরা। কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হলেও এখনও পর্যন্ত হতাহতের কোনও খবর পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন কলকাতার ছ’টি হাসপাতালের নিরাপত্তায় চালু হল ‘রাত্তিরের সাথী’, দায়িত্বে অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসারেরা
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ হঠাৎই আগুন লাগে শিলিগুড়ির বিধান মার্কেটের একটি কাপড়ের দোকানে। প্রচুর পরিমাণে দাহ্য পদার্থ মজুদ থাকায় কয়েক মিনিটের মধ্যেই সেই আগুন আশেপাশের দোকানগুলিতে ছড়িয়ে পড়ে। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই ব্যাপক আতঙ্কে সৃষ্টি হয় গোটা মার্কেট চত্বর জুড়ে। দ্রুত আগুনের লেলিনহান শিখা বাড়তে থাকে। মুহূর্তের মধ্যে পুড়ে ছাই হয়ে যায় মার্কেটের ১৫টিরও বেশি দোকান। স্থানীয়রা তড়িঘড়ি খবর দেয় দমকলে। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ৫টি ইঞ্জিন। দমকল কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে যুদ্ধকালীন তৎপরতার সঙ্গে আগুন নেভানোর কাছে হাত লাগান। তড়িঘড়ি গোটা এলাকা ফাঁকা করতে শুরু করে তারা। এমনকী আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে শেষমেশ সাহায্য নেওয়া হয়েছে বিএসএফ-এরও। আগুন নিয়ন্ত্রণ আনতে খানিকটা সময় লাগবে বলেই অনুমান।
ইতিমধ্যেই ঘটনার যে দৃশ্য প্রকাশ্যে এসেছে, তা দেখে বোঝা যাচ্ছে এদিন আগুনের তীব্রতা ঠিক কতটা ছিল। প্রাথমিকভাবে দমকল কর্মীদের অনুমান, শর্ট সার্কিটের জেরেই আগুন লেগেছে। এদিকে, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছেন মেয়র গৌতম দেব। ইতিমধ্যেই গোটা ঘটনার তদন্তে নেমেছে প্রশাসন। খতিয়ে দেখা হবে ওই মার্কেটে অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থা ছিল কিনা। তবে এই অগ্নিকাণ্ডের জেরে, পুজোর মুখে কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।
#Latestbengalinews, #Bengalinews


More Stories
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
আরেক অভিনেতা প্রণবের অকালপ্রয়াণ
মার্চেই বকেয়া ডিএ দেওয়ার উদ্যোগ : এসওপি জারি