সময় কলকাতা ডেস্ক, ২ অক্টোবরঃ মহালয়ার সকালে বাঁশদ্রোণীতে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। বুধবার সকালে কোচিংসেন্টারে যাওয়ার পথে স্কুলছাত্রকে পিষে মারল জেসিবি। কলকাতা পুরসভার ১১৩ নং ওয়ার্ডে রাস্তা সারাইয়ের কাজ চলাকালীন দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্তলের মৃত্যু হয় নাবালকের।

দীর্ঘদিন ধরে বাঁশদ্রোণীতে এই রাস্তার বেহাল দশা। যেখানে দুর্ঘটনা ঘটেছে অর্থাৎ দীনেশ নগর অটো স্ট্যান্ডের সামনে একটি গাছের গোড়ায় সাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়েছিল ওই নাবালক। সেখানে ওই জেসিবিটি ধাক্কা মারে তাকে। গুরুতর জখম অবস্থায় রাস্তাতেই লুটিয়ে পড়ে ওই নাবালক। নবম শ্রেণির ওই ছাত্রকে তড়িঘড়ি উদ্ধার করে বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে ওই পড়ুয়াকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে বাঁশদ্রোণী এলাকায়। কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেয় তারা। কারণ তাঁদের অভিযোগ অনেকদিন ধরে রাস্তার বেহাল দশা নিয়ে এলাকার কাউন্সিলর অনিতা ধর মজুমদারের দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করেও সুরাহা পাওয়া যায়নি। তিন বছর ধরে রাস্তা সারাইয়ের কাজ চলছে। ফলে রাস্তায় তৈরি হয়েছে অসংখ্য ছোট বড় গর্ত। সামান্য বৃষ্টি হলেই জল জমা হয়ে যায়। যাতায়াত দুর্বিষহ হয়ে ওঠে নিত্যযাত্রীদের। অনিতা বলেন, “ঘটনাটি অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। রাস্তা নির্মাণের কাজ চলছিল। তাই সেখানে জেসিবি রাখা ছিল। তার একটাতেই ধাক্কা লেগে মৃত্যু হয়েছে ছাত্রের।” তবে ওই রাস্তা সারাইয়ের কাজ পুরসভা করছিল না বলেই জানান তিনি। তাঁর কথায়, “দায়িত্ব ছিল ঠিকাদার সংস্থার।”
আরও পড়ুনঃ রাত পোহালেই মহালয়া, তবে কেন হয় এই অনুষ্ঠান? কী এর ইতিহাস? জানলে অবাক হবেন!
দীনেশ নগরের ১১৩ নাম্বার ওয়ার্ডের বাসিন্দা ওই ছাত্রের মৃত্যুর খবর জানাজানি হতেই পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায় স্থানীয়রা। দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার দীর্ঘসময় পর ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। যা নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয়রা।


More Stories
ছাত্রীর শ্লীলতাহানি, গণপ্রহার ও গ্রেফতার
আরজিকর কাণ্ডে গ্রেফতার নির্মল ঘোষ
নেতাজির অবমাননায় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর