Home » মূল অভিযুক্তের বিরুদ্ধে চার্জশিটে ১১টি প্রমান উল্লেখ করেছে সিবিআই, প্রতিলিপি হাতে পেয়েই মুখ খুললেন সঞ্জয়!

মূল অভিযুক্তের বিরুদ্ধে চার্জশিটে ১১টি প্রমান উল্লেখ করেছে সিবিআই, প্রতিলিপি হাতে পেয়েই মুখ খুললেন সঞ্জয়!

সময় কলকাতা ডেস্ক, ৮ অক্টোবর: আরজি কর কাণ্ড প্রকাশ্যে আসার দিনের মূল অভিযুক্ত সঞ্জয় রায়কে গ্রেফতার করেছিল কলকাতা পুলিশ। তারপর দুদিনের মধ্যেই কেসের তদন্তভার নিয়েছিল সিসবিআই। দুমাস তদন্ত করার পর সোমবার শিয়ালদহ আদালতে মামলার চার্জশিট জমা দেয় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। সেই চার্জশিটে সঞ্জয়ের বিরুদ্ধে মোট ১১টি প্রমাণের কথা উল্লেখ করেছে সিবিআই। তবে বিচারকের সামনে চার্জশিটের প্রতিলিপি হাতে পেয়েই মুখ খুললেন সঞ্জয়! গ্রেফতার হওয়ার প্রথম থেকেই যে সঞ্জয় বলে এসেছে সে দোষ করেছে, এদিন মুখ খুলতেই অন্য সুর।

আরও পড়ুন: গন ইস্তফা আরজি করে, জুনিয়রদের সমর্থনে পদত্যাগ ৫০ জনের বেশি সিনিয়র চিকিৎসকের 

মূল অভিযুক্ত সঞ্জয় রায়ের বিরুদ্ধে যে ১১টি প্রমান চার্জশিটে উল্লেখ করেছে সিবিআই সেগুলি-

১। যে ফ্লোরে নির্যাতিতার ধর্ষণ ও খুন হয়েছিল, সিসিটিভি ফুটেজ থেকেই জানা গিয়েছে সেই ফ্লোরে  ৮ অগস্ট রাতে গিয়েছিলেন সঞ্জয়।

২। অভিযুক্ত যে সেদিন আরজি করেই ছিলেন তাঁর ফোনের লোকেশন থেকে তা স্পষ্ট জানা গিয়েছে।

৩। নির্যাতিতার মৃত দেহ ময়নাতদন্তের পর সঞ্জয়ের ডিএনএ পাওয়া গিয়েছে তাঁর শরীর থেকে।

৪। ধৃত সিভিক ভলেনন্টিয়ারের যে প্যান্ট এবং জুতো পুলিশ উদ্ধার করেছিল, তা থেকে মৃতার রক্তের দাগ মিলেছে।

৫। ফরেন্সিক রিপোর্ট থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে, নির্যাতিতার শরীর থেকে যে ব্যক্তির চুল পাওয়া গিয়েছিল তা অভিযুক্তের চুল।

৬। ঘটনাস্থলে যে ব্লুটুথ হেডফোন পাওয়া গিয়েছিল তা সঞ্জয়ের ফোনের সঙ্গে যুক্ত ছিল। এমনকি সিসিটিভি ফুটেজেও দেখা গিয়েছে ঘটনাস্থলে অভিযুক্ত যখন প্রবেশ করছে তাঁর গলায় হেডফোনটি ঝোলানো ছিল, কিন্তু বেড়ানোর সময় সেটি ছিল না।

৭। একটি টেস্টের রিপোর্ট থেকে এও জানা গিয়েছে ১০ আগস্ট সঞ্জয়কে গ্রেফতার করার পর তাঁর শরীরে যে ক্ষতগুলি পাওয়া গিয়েছিল, সেগুলি গত এক বা দুই দিনের মধ্যেই হয়েছিল।

৮। অভিযুক্তের শরীরে যে ক্ষতচিহ্ন মিলেছে, সেগুলি নির্যাতিতার প্রতিরোধের ফলেই তৈরি হয়েছিল।

৯। অভিযুক্ত যে এই সঙ্গমে অক্ষম কোনও রিপোর্টেই এমন ফলাফল আসেনি।

১০। সিএফএসএল কলকাতার রিপোর্ট অনুযায়ী, ঘটনাস্থল থেকে নির্যাতিতার যে ছেড়া অন্তর্বাস উদ্ধার হয়েছিল, তা দেখে স্পষ্ট বোঝা গিয়েছে জোর করে অন্তর্বাসটি খোলার চেষ্টা করা হয়েছিল।

১১। সিএফএসএল কলকাতার রিপোর্ট এও নিশ্চিত করেছে, মৃতা যে কুর্তি পরেছিল তার কোমরের কাছ থেকে টেনে ছেড়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: Aam Admi Party: হরিয়ানা খালি হাতে ফেরালেও, আম আদমি পার্টিকে খালি হাতে ফেরাল না উপত্যকা

তবে মঙ্গলবার শিয়ালদহ কোর্টে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে মূল অভিযুক্ত সঞ্জয় কিছু বলতে চাওয়ায় আর্জি জানালে, তাকে বলতে বলেন বিচারপতি। সেখানে ধৃতের বক্তব্য, “আমি কিছু করিনি, আমি কিছুই জানি না হুজুর।”

About Post Author