সময় কলকাতা ডেস্ক : চলছে সারের কালোবাজারি, ইচ্ছে করে সার ব্যবসায়ীরা বাজারে কৃত্রিম সার সৃষ্টি করছেন। অবিলম্বে এই কালোবাজারি বন্ধ হোক এই দাবি তুলে ধরে কৃষি দপ্তরের সামনে বিক্ষোভ দেখালো কৃষকেরা। সারের দামে কালোবাজারির অভিযোগ পেয়ে তড়িঘড়ি একাধিক দোকানে হানা দিলেন সরকারি আধিকারিকরা। কথা বললেন ক্রেতা এবং বিক্রেতা দুপক্ষের সঙ্গে। মঙ্গলবার এমনই দৃশ্য ধরা পরলো মালদাহের চাঁচলের বিভিন্ন এলাকায়।
সরেজমিনে সারের মান খতিয়ে দেখতে উপস্থিত ছিলেন চাঁচল মহকুমা কৃষি আধিকারিক অতীন্দ্র মোদক, চাঁচল ১ নং ব্লক কৃষি আধিকারিক দীপঙ্কর দেব, মালদা জেলা পরিষদের কৃষি কর্মাধ্যক্ষ রফিকুল হোসেন,পঞ্চায়েত সমিতির কৃষি কর্মাধ্যক্ষ শাহজান আলী সহ অন্যান্যরা। নির্ধারিত দামের চেয়ে কৃষকদের কাছ থেকে সারের দাম বেশি নেওয়া হচ্ছে, এমন অভিযোগ পেয়ে দোকানে হানা দেন সরকারি আধিকারিকরা।

উল্লেখ্য, বেশ কয়েক দিন ধরে শহর সহ গ্রাম্য এলাকার একাধিক দোকানে রাসায়নিক সারের কালোবাজারির অভিযোগ ওঠে। চাষিরা দোকানে সার কিনতে গেলে তাদের কাছ থেকে দ্বিগুন দামে সার বিক্রি করা হচ্ছে। এনিয়ে বহুবার কৃষি দপ্তরকে জানিয়ে কোনো লাভ না হওয়ায় অবশেষে আজ কৃষি দপ্তরের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন চাষিরা।
এ ব্যাপারে সরকারি আধিকরিক অতীন মোদক বলেন, ‘সারের কালোবাজারি হচ্ছে কিনা তা দেখতে আমরা সারের দোকানগুলিতে হানা দিই। সারের একটা নির্দিষ্ট রেট আছে। ওই রেটেই মাল কিনবে। যদি কোনও দোকানদার না দেয়, অফিসে কমপ্লেন করবে।’
এবারে মালদা জেলা পরিষদের কৃষি কর্মাধ্যক্ষ রফিকুল হোসেন বলেন, ‘একশ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী সারের দাম কৃত্রিমভাবে বাড়িয়ে ব্যবসা করছেন। আমরা এদের বিরুদ্ধে আইনত ব্যবস্থা নেব।’
চাঁচলের পাহাড় পুরের সার বিক্রেতা শুভাশিস সাহা বলেন, ‘সারের কোম্পানিগুলো কিছু নতুন প্রোডাক্ট সারের সাথে যুক্ত করার ফলে সারের মূল্য বৃদ্ধি হয়ে যায় আর তখন কৃষকরা অভিযোগ করেন।’


More Stories
মধ্যমগ্রামে বিধ্বংসী আগুন
বারাসাত বইমেলা : লোক বাড়ছে, ছাপাবইয়ের পাঠক কমছে?
বারাসাতে পুকুরে ভেসে উঠল দেহ, খুন নাকি আত্মহত্যা?