সময় কলকাতা ডেস্ক: ১০ বছরে প্রথমবার পুলিশ বাজেট পেশ করেছে রাজ্য সরকার। তবে রাজ্যের পুলিশ বাজেটে বিরোধীরা সঠিকভাবে তাদের কথা বলতে পারেন নি।মুখ্যমন্ত্রীর উসকানিতেই বিরোধীদের বক্তব্য পেশ করতে বাধা দেওয়া হয়েছে। বিরোধীরা তাদের দাবির কথা বলতে না পারায় বেশ কিছুক্ষন বিক্ষোভ দেখানোর পর বিজেপি বিধায়করা ওয়াকআউট করেন।পুলিশ বাজেট নিয়ে জবাবী ভাষণে মুখ্যমন্ত্রীকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।তিনি বলেন,২০০৬ সালে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য প্রতি বিরোধীদের প্রশ্নের উত্তর দিতেন, এরা দেয় না।’

বিরোধী দলনেতা বলেন, ‘বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার বক্তব্যের মাঝে বাধা বাধা দিচ্ছে তৃণমূল। পুলিশ বাজেটে আলোচনার জন্য ডাকা হয়। আমাদের বিধায়করা সুনির্দিষ্ট বক্তব্য রেখেছেন। আমার বক্তব্যের সময় পরিকল্পিতভাবে বাধা দেওয়া নির্বাচন পরবর্তী হিংসার কথা যাতে নথিভুক্ত করতে না পারি তাই বাধা দেওয়া হয়েছে। আর মুখ্যমন্ত্রী নিজে তাতে উষ্কানি দিয়েছেন।’

বিরোধী দলনেতার দাবি ‘আমি মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্ট দেখাচ্ছিলাম। তখন মুখ্যমন্ত্রী নিজে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ইশারা করে বাধা দিতে বলছেন। এখানে আইনের শাসন নেই। শাসকের আইন রয়েছে। আমার পুলিশের রেশন ফিরিয়ে দেওয়ার কথা বলেছি। আমরা বলেছি ডায়রেক্টর অফ সিকিউরিটির লোকেরা যদি ১০ হাজার টাকা করে বেশি পান তাহলে বাকিরাও পাবেন না কেন?

পশ্চিমবঙ্গের পুলিশকে দলদাসে পরিণত করে রেখেছে সরকার। তাই নির্বাচন পরবর্তী হিংসা হয়েছে তার পাশাপাশি কাউন্সিলরের খুন থেকে আনিস হত্যা প্রসঙ্গ, তুলতে বাধা দেওয়া। কাশ্মীরে কেন্দ্রীয় সরকার যা করেছে এখানও তাই দরকার। ৮৪ সালের শিখ দাঙ্গার হত্যাকারী সজ্জন কুমার যদি জেলে যেতে পারেন, তাহলে এই গুন্ডাগুলোও জেলে যাবেন। অনুব্রত মণ্ডল, উদয়ন গুহ, সওকত মোল্লারা ব্যাগটা গুছিয়ে রাখুন।


More Stories
তৃণমূল বিধায়ক ও সাংসদদের ভাবমূর্তি সমূলে ধ্বংস করে বড় জয় বিজেপির
স্বরূপ বিশ্বাসের বাড়িতে পুলিশ, সঙ্গে কেন্দ্রীয় পুলিশ বাহিনী
দিল্লি গেলেন অভিষেক