সময় কলকাতা ডেস্ক: বুধবার রাতে গাইঘাটা ১ এর সভাপতি কল্যাণ দত্তকে এলোপাথাড়ি কোপায় একদল দুষ্কৃতী। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি। তাকে দেখতে যান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। তিনি বলেন, ‘গতকাল রাতে আমি খবর পাই। আজ হাসপাতালে দেখতে যাই। ইন্টারনাল ইনজুরি হয়েছে। আপনারা জানেন ইন্টারনাল ইনজুরি হলে কি হতে পারে। চিকিৎসা হচ্ছে। কিন্তু ঘটনার নেপথ্যে কি রয়েছে আমাদের জানতে হবে।’
এই ঘটনার বিজেপির তীব্র সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘বিজেপি বলতে শুরু করেছে পারিবারিক কলহ। আর যারা মেরেছে তারা নাকি তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী। বিজেপির একটা অভ্যাস দাঁড়িয়ে গেছে যদি বিজেপি কর্মী মারা যায় তাহলে বলে তৃণমূল কর্মীরা মেরেছে। আর যদি তৃণমূল কর্মী মারা যায় তাহলে বলবে তৃণমূলের কলহে মারা গেছে।’
বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে নিশানা করে তিনি বলেন, ‘এই দুটি লোক বাংলাকে উত্তপ্ত করছে। তাদের করার কোনো ক্ষমতা নেই। পাঁচ হাজার লোক নিয়ে মিছিল করতে পারবে না। কিন্তু উত্তপ্ত করতে চারজন তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীকে খুন করে দিতে পারবে। একটার নাম শুভেন্দু অধিকারী একটা সুকান্ত মজুমদার।’
এই দুই বিজেপি নেতাকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ‘এরা যদি ভালো চায় এদের মুখে লিকোপ্লাস্ট লাগিয়ে চুপচাপ বসে থাকুক। এদের কথায় বিজেপি কর্মী, বিজেপি গুন্ডারা এই ক্রাইমগুলো করছে।’ বিজেপির লিডার এবং কর্মীদের কাছে প্রচুর অস্ত্র রয়েছে বলে অভিযোগ তোলেন তিনি। বিজেপির দিকে অভিযোগের আঙুল তুলে তিনি বলেন, ‘ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল সম্পাদককে বিজেপি লিডাররা পিটিয়ে খুন করে। তার কেস চলছে এখনও। আর চোরের মায়ের বড় গলা। ওরা রামপুরহাট দেখাচ্ছেন বসিরহাট দেখাচ্ছেন আরে আইনকে তো আইনের পথে চলতে দিতে হবে।’
সুকান্ত মজুমদার ও শুভেন্দু অধিকারীকে অনেক বেশি সংযমী হতে বলেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘ওরা যেটা করে যাচ্ছে ওটা ভুল কাজ। ওরা রাজনীতিতে গুন্ডা আমদানি করতে চাইছে। এটা হবে না, আমরা করতে দেব না।


More Stories
বিরল রোগে মরণাপন্ন আফগান পেসার দিল্লির
চেন্নাইয়ানকে হারিয়ে মোহনবাগানকে টপকে ইস্টবেঙ্গল তিন নম্বরে
বারাসাত বিজেপিতে ভাঙন, দল ছাড়লেন তাপস মিত্র