সময় কলকাতা ডেস্কঃ ‘মুখ্যমন্ত্রী থেকে শুরু করে তৃণমূলের যেসব নেতারা অশ্লীল বিবৃতি দিচ্ছেন,পকসো আইনে তাঁদের আগে গ্রেপ্তার করা উচিত,। শুক্রবার হাঁসখালি ধর্ষণকাণ্ডে মৃত নাবালিকার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে এসে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা শাসক দলকে এই ভাষাতেই আক্রমণ করেন এসএফআইয়ের রাজ্য সভানেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়।ইতিমধ্যেই নদীয়ার হাঁসখালি ধর্ষণকাণ্ড নিয়ে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি।এই ঘটনার প্রতিবাদে চলছে রাজনৈতিক তরজা। হাইকোর্টের নির্দেশে ধর্ষণকাণ্ডের তদন্ত শুরু করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই।গ্রামে গিয়ে নির্যাতিতা এবং অভিযুক্তের বাড়িতে নজরদারি রাখছেন তাঁরা।পাশাপাশি এর আগে হাঁসখালি ধর্ষণকাণ্ডে মৃত নাবালিকার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন বিজেপি,কংগ্রেস-এর নেতারা সহ একাধিক রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরাও।

এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় বলেন,‘এই ঘটনায় নির্যাতিতার পরিবারকে সমবেদনা জানাবার কোনও ভাষা নেই।যেভাবে দিনের পর দিন রাজ্যে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনা ঘটে চলেছে সকলে প্রতিবাদ না করলে এ রাজ্যে বসবাস করার মত আর পরিস্থিতি থাকবে না। পাশাপাশি তিনি বলেন, আমরা চাই সিবিআই তাড়াতাড়ি তদন্ত শুরু করে আগামীকালের মধ্যেই দোষীদের চিহ্নিত করে উপযুক্ত শাস্তি দিক।’

প্রসঙ্গত,গত ৫ এপ্রিল নদীয়ার হাঁসখালিতে প্রভাবশালী এক তৃণমূল নেতার বাড়িতে তার ছেলের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে মদ্যপানের আসর বসে।ওই জন্মদিনের অনুষ্ঠানে হাজির ছিল ধর্ষণকাণ্ডে মৃত নাবালিকাও।সেদিনই নাবালিকাকে ধর্ষণ করা হয় বলেই অভিযোগ।এমনকি ধর্ষণ করার পর রক্তাক্ত অবস্থায় ওই নাবালিকাকে ফেলে রাখা হয় রাস্তায়।গোপনাঙ্গের তীব্র যন্ত্রণা এবং রক্তক্ষরণের ফলে রাতেই মৃত্যু হয় ওই নাবালিকার।
এরপর প্রমাণ লোপাটের জন্য তড়িঘড়ি নাবালিকাকে বাড়ির পাশে স্থানীয় শ্মশানে পুড়িয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে স্থানীয় তৃণমূল নেতার ছেলের বিরুদ্ধে।এই ঘটনা জানাজানি হতেই চাইল্ড লাইনে খবর যায়।চাইল্ড লাইনের তৎপরতায় হাঁসখালী থানায় তৃণমূল নেতা ও তার ছেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়।অভিযোগের ভিত্তিতেই অভিযুক্ত সোহেল গোয়ালী গ্রেপ্তার হয়।


More Stories
তৃণমূল বিধায়ক ও সাংসদদের ভাবমূর্তি সমূলে ধ্বংস করে বড় জয় বিজেপির
দিল্লি গেলেন অভিষেক
ঔদ্ধত্য,দাম্ভিকতা,অহংকার এবং দুর্নীতিকে মদত -নাম না করে মমতাকে বেনজির আক্রমণ শান্তনু সেনের