Home » কারখানার দুষণে ক্ষতিগ্রস্ত ফসল

কারখানার দুষণে ক্ষতিগ্রস্ত ফসল

সময় কলকাতা ডেস্ক: প্লান্টের দূষিত ধোঁয়া ও পাথর গুড়োর ধুলোয় নষ্ট কয়েক লক্ষ টাকার ফসল।

কৃষি ভিত্তিক বসিরহাটের স্বরূপনগর, বাদুড়িয়া, বসিরহাট দু’নম্বর ও বসিরহাট এক নম্বর ব্লক ও হাসনাবাদ সহ একাধিক ব্লকের কৃষিনির্ভর কয়েক লক্ষ মানুষের বসবাস। এখানকার উৎপাদিত ফসল দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে যায়। পটল, ঝিঙে, লঙ্কা ও উচ্ছে সহ একাধিক ফসল এখানে ফলে। বিশেষ করে বসিরহাট ১নং ব্লকের গোটরা, পিফা, সংগ্রামপুর-শিবহাটী ও নিমদাঁড়িয়া-কোদালিয়া সহ সাতটি পঞ্চায়েতে ধান থেকে শুরু করে পাট, বিভিন্ন রকম সব্জি, ঢেঁড়স, লঙ্কা ও উচ্ছের চাষ হয়ে থাকে।

কিন্তু এবার বাঁধ সেধেছে এক পাথরের প্লান্ট। বড় পাথরকে ছোট পাথরে রূপান্তরিত করা সেই প্লান্ট থেকে ধেঁয়ে আসছে বিটুমিন পোড়া দূষিত ধোঁয়া এবং পাথরের গুড়ো মিশ্রিত ধুলো। যা সরাসরি জমছে ফসলের উপর। ফলে ফলন ঠিকঠাক হচ্ছে না। নিমদাঁড়িয়া-কোদালিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের কোদালিয়া, ঘুসুড়ি, ওলাইচন্ডী ও মধ‍্যমপুর একাধিক গ্রামের কৃষকরা জানান, দূষিত ধোঁয়া ও পাথর গুড়োর আস্তরণ পড়ে যাওয়াতে শষ‍্যের পাতাগুলি প্রয়োজনীয় অক্সিজেন গ্রহণ করতে পারছে না। ফলে মৃত্যু হচ্ছে গাছগুলির। দেখা যাচ্ছে, ধুলোয় ভরে রয়েছে লঙ্কার গাছ, পটল গাছ। যার জেরে তীব্র বিপাকে ওই গ্রামগুলির কয়েক হাজার কৃষক। কৃষকদের কথায়, ধার দেনা করে তারা চাষ করতে নেমেছিলেন। কিন্তু যেভাবে ধুলো ও ধোঁয়ার জেরে ফসলের ক্ষতি হচ্ছে, গাছ মারা যাচ্ছে তাতে তারা প্রবল সমস্যার সন্মুখীন।

প্লান্টের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক জানান, তারা প্লান্টটিকে ঘিরে দিয়েছেন। কিন্তু দশ ফুটের ঢাকা দিয়ে কি আর ধোঁয়া বা ধুলো আটকানো যায়? প্রশ্ন গ্রামবাসীদের। যদিও এইভাবে ফসল নষ্ট হওয়া একদম মানতে পারছেন না কৃষকরা। তাদের দাবি, অবিলম্বে এই পাথরের প্লান্ট বন্ধ হোক।

About Post Author