সময় কলকাতা ডেস্কঃ তদন্তের নামে হেনস্তা করছে সিবিআই।আর তাই সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে শান্তিপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করে বিক্ষোভে সামিল গ্রামের শতাধিক মহিলা।ঘটনাটি ঘটেছে নদীয়ার শান্তিপুরের নবলা পঞ্চায়েতের প্রমোদ পল্লী এলাকায়।
গ্রামবাসীদের দাবী, ওই এলাকার বাসিন্দা প্রদীপ সরকারের বিরুদ্ধে খুন, প্রাণ নাশের হুমকি সহ একাধিক অভিযোগ জমা পরেছিল শান্তিপুর থানায়। প্রায় দশ মাস আগে রানাঘাট ব্লকের রামনগর পঞ্চায়েতের দোয়াড়পাড় এলাকায় প্রদীপ সরকারের বস্তাবন্দী মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনায় মৃত প্রদীপ সরকারের স্ত্রী গ্রামের ৬ জনের নামে শান্তিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।ঘটনাটি ভোট পরবর্তী হিংসায় খুনের মামলার অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় ঘটনার তদন্তভার হাতে নেয় সিবিআই।সিবিআই ঘটনার তদন্ত শুরু করার পর থেকেই ঘর ছাড়া এলাকার ছেলেরা।সাম্প্রতিক কিছুদিন আগেই কয়েক সদস্যের তদন্তকারী দল ওই গ্রামে এসে প্রত্যেকটি বাড়িতে তদন্ত ও তল্লাশির নামে ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ গ্রামবাসীদের।তদন্তের নামে ঘরের যাবতীয় জিনিস তছনছ করে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা বিভাগের সদস্যরা।

অভিযোগ, অতীতে প্রদীপ সরকারের নামে একাধিকবার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা সত্ত্বেও কোনদিন প্রদীপকে গ্রেপ্তার করে নি পুলিশ।আর আজ সেই কুখ্যাত প্রদীপ সরকারের মৃত্যুর কারণ খুঁজে বার করতে গ্রামের নিরীহ নিরপরাধ মানুষগুলোর ওপরে প্রতিনিয়ত অত্যাচার করছে কেন্দ্রিয় গোয়েন্দা বিভাগ।শনিবার সকালে গ্রামের প্রসেনজিৎ দাস নামে পেশায় শাড়ির ব্যবসায়ীকে তুলে নিয়ে গিয়ে বেধড়ক মারধোর করেছে সিবিআই।অথচ তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে কিনা সে বিষয়ে পরিবারকে কিছু জানানো হয়নি। ঘটনায় কোন রাজনৈতিক কারণ আছে কিনা তা অবশ্য স্পষ্ট নয়।যদিও গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে শান্তিপুর থানার পুলিশ।

স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য চন্দ্রিমা মণ্ডল জানান, ‘আমার ভাসুর ও ভাইকেও অত্যাচার করেছে সিবিআই। আমরা বড়বাবুকে জানিয়েছি উনি বলেছেন দেখছি।’


More Stories
ঋতব্রত সন্দীপনের বহিষ্কারের চিঠিতে কী কী লেখা হয়েছে?
বঙ্গে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভার গঠন
অভিষেক নিগ্রহ পর্ব : আদতে হয়েছিল কী? বিভিন্ন রাজনৈতিক মহল, নেতা-নেত্রীরা কী বলছেন!