Home » এবার জ্বালানীর মূল্যবৃদ্ধির আঁচ বীরভূমে!

এবার জ্বালানীর মূল্যবৃদ্ধির আঁচ বীরভূমে!

সময় কলকাতা ডেস্কঃ দিনের পর দিন ঊর্ধ্বমুখী পেট্রোল ডিজেল ও রান্নার গ্যাসের দাম। এই পরিস্থিতিতে হেঁসেলে টান পড়ছে আম বাঙালির। পেট্রোল ডিজেল ও রান্নার গ্যাসের লাগাতার মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে রাজ্য জুড়ে দফায় দফায় চলছে বিক্ষোভ। কলকাতার পাশাপাশি জেলাগুলিতেও লাগাতার বেড়ে চলেছে জ্বালানীর দাম। গত একমাস ধরে ক্রমাগত জ্বালানীর মূল্যবৃদ্ধির কারণে বেড়েই চলেছে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দামও। তার ওপর অতি দরকারি ওষুধ পত্রের দাম আকাশ ছোঁয়া। গত এক মাসে পরপর ২ বার দাম বাড়ল রান্নার গ্যাসের। ১ মে এক ধাক্কায় ৫০ টাকা দাম বেড়ে নতুন দাম হয়েছিল ১০২৬ টাকা। বুধবার ফের ৩ টাকা বেড়ে গিয়ে রান্নার গ্যাসের দাম দাঁড়িয়েছে ১০২৯ টাকা। পাশাপাশি দাম বেড়েছে বাণিজ্যিক রান্নার গ্যাসেরও। এই অবস্থায় গ্যাস কেনার জন্য হাজার টাকার বেশি পকেট থেকে বার করতে বহু মানুষেরই নাভিশ্বাস উঠছে।

শনিবার বীরভূম জেলার খয়রাশোলের বাবুইজোড় এলাকায় জ্বালানীর লাগাতার মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ করতে দেখা গেল তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে। এদিন প্রতিবাদ মিছিল বাবুইজোড় বাস স্ট্যান্ড থেকে শুরু করে শ্রীরামপুর বাজারে গিয়ে শেষ হয়। পেট্রোল,ডিজেল ও রান্নার গ্যাসের দাম কমানোর দাবি তুলে এদিন তারা এই প্রতিবাদ কর্মসূচী শুরু করেন। জ্বালানীর মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে প্লাকার্ড হাতে নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দেয় তৃণমূল কর্মী সমর্থকেরা। এদিনের এই মিছিলে মহিলাদের উপস্থিতির সংখ্যাটাও ছিল যথেষ্ট। পাশাপাশি এদিনের এই বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন খয়রাশোল ব্লকের তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি কাঞ্চন অধিকারী, ব্লকের সম্পাদক মৃনাল কান্তি ঘোষ, বাবুইজোড় অঞ্চলের অঞ্চল সভাপতি মদন মোহন মন্ডল, তৃণমূল নেতা সেখ জয়নাল, কাঞ্চন দে, প্রদীপ মন্ডল সহ বাবুইজোড় অঞ্চল অন্যান্য তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থকেরা।

উল্লেখ্য, বুধবার থেকে কলকাতা সহ দেশের সব জায়গায় ফের চড়া হয়েছে রান্নার গ্যাসের মূল্য। নতুন করে দাম বৃদ্ধির জেরে কলকাতা সহ বিভিন্ন শহরতলিতে এবার থেকে রান্নার গ্যাস কিনতে হবে ১০২৯ টাকায়। ২০১৪ সালের শেষের দিকে কলকাতায় একবার রান্নার গ্যাসের দাম হাজার টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছিল। সে সময় রান্নার গ্যাসের ওপর ভর্তুকি থাকায় কিছুটা হলেও সুরাহা মিলেছিল গ্রাহকদের। তবে বর্তমানে লাগাতার মূল্যবৃদ্ধির জেরে কার্যত নাভিঃশ্বাস অবস্থা মধ্যবিত্তের।

About Post Author