Home » সাত দিনের মধ্যে লুঠের মাল উদ্ধার

সাত দিনের মধ্যে লুঠের মাল উদ্ধার

সময় কলকাতা ডেস্কঃ পুলিশের এক অসাধারণ সাফল্য। সাত দিনের মাথায় কর্ণাটক ও মহারাষ্ট্র থেকে লুঠের মাল উদ্ধার করল পুলিশ। গত ২৯ শে মে রাতে আসানসোল দক্ষিণ থানার কাছে ঘাঁটি গলিতে একটি জুয়েলারি টেস্টিং ল্যাবে চুরি হয়। ৮০০শো গ্রাম সোনা ১০কেজি রুপো সেই সঙ্গে প্রায় ২৮ হাজার টাকা নগদ লুঠ করে দুস্কৃতকারীরা। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ৩০ শে জুন তদন্তে নামে পুলিশ।

তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, দুষ্কৃতীরা ল্যাবের জানালা ভেঙে ভেতরে ঢুকে দোকানের ভিতর টাঙানো ভল্টের চাবি নেয়, এরপর তারা ভল্টের তালা খুলে সোনা রুপা ও নগদ নিয়ে চম্পট দেয়। দোকানের সিসিটিভি খারাপ থাকার কারণে অপরাধীদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। আশে পাশের বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা যায় যে পাঁচ জনের একটি দুষ্কৃতকারী দল এই অপরাধ সংঘটিত করেছে। প্রত্যেকে মাস্ক পরিহিত ছিল। বিশেষ সূত্রে খবর পাওয়ার পর অপরাধীদের ধরতে ছয় সদস্যের একটি পুলিশের দল মহারাষ্ট্রের সাংলি জেলায় যায়। মহারাষ্ট্র থেকে খবর পায় পুলিশ, অপরাধীরা লুকিয়ে আছে কর্নাটকে।

কর্নাটকের বেলগাভি গ্রাম থেকে দশরথ মানে নামের এক ব্যক্তিকে তিন লক্ষ টাকা সহ গ্রেফতার করে আসানসোল থানার পুলিশ। তার কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী মহারাষ্ট্রের সাংলি জেলার আটপাড়ি থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় বিশাল নামে এক ব্যক্তিকে। তার কাছ থেকে উদ্ধার হয় ১৩কেজি রুপোর ৫০০ গ্রাম সোনা। আটপাড়ি আদালতের বিচারক বিশালের পাঁচদিনের ট্রানজিট রিমান্ড মঞ্জুর করে। লুঠের সাত দিনের মাথায় পুলিশ জানতে পারে সঞ্জয় সত্যবানের টেস্টিং ল্যাব এ বিগত চার বছরের বেশি সময় ধরে কাজ করেছিল এই বিশাল। আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের দাবি সাত দিনের মাথায় এই লুঠের সম্পূর্ণ কিনারা হয়েছে।

About Post Author