সময় কলকাতা ডেস্কঃ সংরক্ষিত বনাঞ্চলে আবর্জনা না ফেলার আবেদন জানালেও তাতে কর্ণপাত করছেন না কেউই। শনিবার জলপাইগুড়ি বনদপ্তরের মোরাঘাট রেঞ্জের খুট্টিমারি বনাঞ্চলের মধুবনি সেতু সংলগ্ন এলাকায় এমনই দৃশ্য চোখে পড়ল। আবর্জনার ফলে একদিকে বন্য জন্তুদের সমস্যা হচ্ছে, অন্যদিকে, সবুজের মাঝে নোংরা আবর্জনা দূষণও ঘটাচ্ছে। হাতি পারাপারের রাস্তায় পরে রয়েছে প্লাস্টিক থেকে শুরু করে নানা ধরনের বর্জ্য পদার্থ। অভিযোগ, বিষয়টি নিয়ে উদাসীন বনদপ্তর। তবে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন পরিবেশ প্রেমী সংঘটনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।

প্রশ্ন উঠছে বন দপ্তরের তরফে এত নজরদারি সত্ত্বেও কে বা কারা এ ধরনের কাণ্ড ঘটাচ্ছেন? কি কারণেই বা বন দপ্তর এদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না। যদিও রাতের অন্ধকারে এসব নোংরা ফেলানো হয়েছে বলেই রেঞ্জ অফিস সূত্রে জানানো হয়েছে। সিসিটিভির ফুটেজ দেখে যত শীঘ্র সম্ভব অভিযুক্তদের চিহ্নিত করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেই জানিয়েছে জলপাইগুড়ি বনদপ্তরের আধিকারিকরা।

এ বিষয়ে পরিবেশপ্রেমী কৌশিক রায় জানান, ‘মোরাঘাট জঙ্গলে এর আগেও নিজেরাই আবর্জনা পরিষ্কার করেছি। এমনকী পরিবেশ দিবসে সবাইকে সচেতনতা মূলক বার্তাও দেওয়া হয়েছে। একাধিকবার বারণ করার পরও বনাঞ্চল নোংরা করে যারা অপরাধ করেছে তাঁদের খুঁজে বের করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে মোরাঘাট রেঞ্জের খুট্টিমারি বনাঞ্চলে ঢোকা বে-আইনি। তারপরেও কীভাবে স্থানীয়রা এখানে আবর্জনা ফেলছে? এই আবর্জনাগুলো কোনও হাতি বা বাইসনের পেটে গেলে কি হতে পারে সেই বিষয়ে ধারণা থাকলে হয়ত ফেলত না।‘


More Stories
কলাগাছের ভেলায় স্কুলের পথে পাড়ি, ঘটতে পারে দুর্ঘটনা, নির্বিকার প্রশাসন
সর্প আতঙ্ক গ্রাস করছে ধূপগুড়িকে
আয়ুষ-দীপককে বুক দিয়ে আগলে রাখার প্রতিশ্রুতি আইসি সুবলের