Home » ভিভের রেকর্ড ভাঙা কেয়ার্নস ভালো নেই

ভিভের রেকর্ড ভাঙা কেয়ার্নস ভালো নেই

সময় কলকাতা ডেস্ক : কিউই ক্রিকেট তারকা ক্রিস কেয়ার্নস সবসময় থেকেছেন খবরের কেন্দ্রে ।  নিউজিল্যান্ডের সুপুরুষ এই ক্রিকেটার ছিলেন মহিলাদের হার্টথ্রুব আর ছিলেন বিতর্কিত।সর্বকালের সেরা অলরাউন্ডার হিসেবে তাঁর নাম কেউ নাইবা করল, তিনি ক্রিকেটার হিসেবে সাধারণ মাপের ছিলেন না। মাত্র ৬২ টি টেস্ট ম্যাচ খেলে ৮৭ টি ছক্কা মেরেছেন, ভিভ রিচার্ডসের ছক্কার রেকর্ড ভেঙেছিলেন ২০০৪ সালে। টেস্টে তিন হাজারের ওপরে রান আর ২১৮ টি উইকেট তাঁর ঝুলির। ক্রিকেটে নিউজিল্যান্ডের কথা উঠলে তাঁর কথা আসবেই। স্যার রিচার্ড হ্যাডলিকে সর্বকালের সেরা অলরাউন্ডার হিসেবে ধরা হলেও কেয়ার্নস ব্যাটিং দক্ষতায় হ্যাডলিকে অনেক পেছনে ফেলে দিয়েছিলেন। ২১৫ টি একদিনের ম্যাচ খেলেছেন ক্রিস, পেয়েছেন ২০১ টি উইকেট। মাঠ এবং মাঠের বাইরে বর্ণময় জীবন তাঁর। বিতর্ক তাড়া করে বেড়িয়েছে তাঁকে। তাঁকে নিয়ে চৰ্চা চলেছে বারবার। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়ে মোটেই ভালো কাটছে না তাঁর। দীর্ঘদিন হাসপাতালের বিছানায় পড়ে থেকেছেন তিনি।রোগ-ব্যাধিতে জেরবার কেয়ার্নস এখন কার্যত মূল জীবনে চেষ্টায়।

কেয়ার্নস বলছেন, তাঁর সৌভাগ্য যে তিনি এখনও বেঁচে রয়েছেন। বিগত এক বছর ধরেই এমনভাবে ক্রিস জীবনে ফিরেছেন তিনি যা অনেক সময় অভাবনীয় ছিল। তার আরও আগে জীবন তাকে নিত্য সংগ্রামে বাধ্য করেছে। বেটিং কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে আর্থিকভাবে কার্যত দেউলিয়া হওয়া থেকে বাঁচতে তিনি বাসের প্রতীক্ষালয় পরিষ্কার করেছেন, ট্রাক চালাতে বাধ্য হয়েছেন। আর্থিকভাবে রুগ্ন মানুষটি একের পর এক আইনি অভিযোগ থেকে বাঁচার জন্য আদালতে লড়াইয়ের পাথেয় জোগাড়ের চেষ্টা করেছেন।

২০২১ সালে সবচেয়ে দুঃসময় নেমে আসে ক্রিসের জীবনে।গত বছরের আগস্টে ক্রিস কেয়ার্নসের জীবন খারাপের দিকে মোড় নেয় যখন তিনি দুটি আপৎকালীন জরুরি চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচারের মুখোমুখি হন। হৃদযন্ত্র বিকল হওয়ার উপক্রম হয়।

একাধিক অস্ত্রোপচার এবং তার জীবনের জন্য লড়াইয়ের পরে,  নিউজিল্যান্ডের প্রাক্তন ক্রিকেট অলরাউন্ডার চেতনা ফিরে পেয়েছিলেন। তিনি শুধুমাত্র বুঝতে পেরেছিলেন যে তিনি তার পা নড়াতে পারেন না।”পরের দিন আমার একটি এমআরআই স্ক্যান করা হয়েছিল এবং বোঝা যায় এটি একটি মেরুদণ্ডের স্ট্রোক হয়েছে ,” ক্রিস বলেছিলেন।

ক্রিস এখন ইউনিভার্সিটি অফ ক্যানবেরা হসপিটাল (ইউসিএইচ)-এ রিহ্যাবে আছেন।কয়েক মাস হুইলচেয়ারে আটকে থাকার পর, ক্রিসকে সম্প্রতি একটি :রোবোটিক এক্সোস্কেলটন’  প্রক্রিয়ায় আবার কীভাবে হাঁটতে হয় তা শিখতে সহায়তা করা হয়। এর মধ্যেই এবছর তাঁর কোলনের ক্যান্সারের চিকিৎসা শুরু হয়।

মাঠ ও মাঠের বাইরে বর্ণময় জীবন কাটিয়ে আসা বাহান্ন বছর বয়সী ক্রিস আজ বাঁচার রসদ খুঁজছেন। মোটেই ভালো নেই তিনি। আজ,১৩ জুন, তাঁর জন্মদিন।।

About Post Author