সময় কলকাতা ডেস্ক : চোরাশিকারীদের গুলিতে আতাগড় ফরেস্ট ডিভিশনে ১০ বছর বয়সী একটি পুরুষ হাতির মৃত্যুতে কেন্দ্র নড়ে চড়ে বসলেও উল্লেখযোগ্য ভাবে বৃদ্ধি পেয়েই চলেছে হাতির মৃত্যু। উড়িষ্যা রাজ্যেই হাতিদের মৃত্যু লাগামছাড়া ভাবে বাড়ছে। সরকারি মতে, রাজ্যওয়াড়ি হিসেবে হাতির মৃত্যু হয়েছে সর্বাধিক।উড়িষ্যাতে ২০১০ থেকে কেবলমাত্র চোরাশিকারীদের হাতে বিষপ্রয়োগে বা গুলিতে মৃত্যু হয়েছে ১৩৩টি হাতির। এছাড়াও ১৪৪ টি হাতি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়েছে আর ৬ টি হাতি ট্রেনের ধাক্কায় মারা গিয়েছে গত ১২ বছরে। ফলে উড়িষ্যায় তলানিতে ঠেকেছে হাতির সংখ্যা।কর্নাটকে যেখানে ২০২০ সালে ছিল ৬০৭২, সেখানে উড়িষ্যায় হাতির সংখ্যা নেমে আসে ২৮২তে।
কটক জেলায় নিহত হাতিটিকে চোরাশিকারীরা অন্তত ৫ টি গুলি করেছিল।টাইগার রিজার্ভ, নন্দনকানন জুলজিক্যাল পার্ক এবং ওডিশা ইউনিভার্সিটি অফ এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজির পশুচিকিৎসকরা হাতিটির চিকিৎসার জন্য নিযুক্ত ছিলেন। তবে মঙ্গলবার সকালে আচমকা হাতিটির শারীরিক তাপমাত্রা বেড়ে গিয়ে মারা যায় বলে জানান তারা।

“হাতি আমাদের ঐতিহ্যবাহী প্রাণী এবং বন্যপ্রাণী রক্ষা (ওয়াইল্ড লাইফ প্রটেকশন অ্যাক্ট )আইনের অধীনে সর্বোচ্চ সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে।মন্ত্রক ঘটনাটি বিবেচনা করেছে এবং আমাদের বন্যপ্রাণী ঐতিহ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে শিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বিষয়টি রাজ্য সরকারের কাছে জানা হচ্ছে ,” বলেছেন কেন্দ্রীয় পরিবেশ, বন ও বন্যপ্রাণী মন্ত্রী ভূপেন্দর যাদব।।


More Stories
ইউসিসি বা অভিন্ন দেওয়ানি বিধির প্রভাব কোথায়? বিরোধিতা কেন?
স্বাধীনতার রক্তঝরা দিন ও বারাসাতের সুবর্ণপত্তনের সংগ্রামী ইতিহাস
১৫ আগস্ট ইনডিপেনডেন্স ডে নয়, অর্থ গুলিয়ে ফেলে নতুন সংজ্ঞা শান্তনু ঠাকুরের