সময় কলকাতা ডেস্ক: পরপর তিনটি কন্যা সন্তান। তাঁর ওপর গায়ের রঙ কালো। ক্ষোভে একরত্তিকে শ্বাসরোধ করে খুনের অভিযোগ উঠল বাবার বিরুদ্ধেই।
পরপর তিনটি কন্যা সন্তান হওয়ায় ক্ষোভে ফুঁসছিল বাবা। তারওপর আবার মেয়ের গায়ের রঙ কালো। তৃতীয়বার কন্যাসন্তান হওয়ায়, ফাঁকা বাড়ি পেয়েই, একরত্তিকে গলা টিপে খুনের অভিযোগ উঠল বাবার বিরুদ্ধে। নারকীয় এই ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার বাদুরিয়া থানার অন্তর্গত পশ্চিম নাটুরিয়া গ্রামের। অভিযুক্ত বাবার নাম রুহুল আমিন সর্দার। জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে এক কন্যা সন্তানের জন্ম দেন শিশুকন্যার মা। গৃহবধূর মতে, তিনি কিছুক্ষণের জন্য ঘরের বাইরে গিয়েছিলেন। অভিযোগ, সেই সুযোগেই ঘুমন্ত শিশুকন্যাকে মেরে ফেলেন বাবা। পরে রুদ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতালে শিশুটিকে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করে।

অভিযোগ, মেয়ে হওয়ার জন্য স্ত্রীকেই দায়ী করত রুহুল এবং তার পরিবার। স্ত্রীর উপর চলত শারীরিক এবং মানসিক নির্যাতনও। স্ত্রী তৃতীয়বার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর অত্যাচারের মাত্রা আরও বেড়ে যায়। এবার যদি ছেলে না হয়, স্ত্রীকে খুনের হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ প্রত্যেকেরই। শেষে মেয়ে হওয়ায় শ্বাসরোধ করে অভিযুক্ত বাবা এবং তার পরিবার একরত্তিরকে হত্যা করে। অভিযোগ স্থানীয়দের। যদিও, নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত বাবা। কন্যা সন্তান হওয়ায় অসন্তোষের খবর এর আগেও বহুবার শিরোনামে উঠে এসেছে। একবিংশ শতাব্দীতে এসেও এই ধরনের ঘটনায় স্তম্ভিত প্রত্যেকেই। অভিযুক্ত বাবাকে গ্রেফতার করলেও এখনও পর্যন্ত অধরা একরত্তির ঠাকুমা এবং পিসি। তদন্তে নেমেছে বাদুড়িয়া থানার পুলিশ।


More Stories
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
বকেয়া ডিএ-র সুখবর : কবে টাকা পাবেন সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীরা?
এবারের ভোট বাংলার আত্মাকে রক্ষা করার লড়াই, ব্রিগেডে বললেন প্রধানমন্ত্রী