সময় কলকাতা ডেস্কঃ শনিবার থেকেই হায়দ্রাবাদে শুরু হচ্ছে বিজেপির জাতীয় কর্ম সমিতির বৈঠক। শনিবার ও রবিবার, দুদিন চলবে এই বৈঠক। শনিবার বৈঠক শুরু ৩.৩০ মিনিট থেকে। বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা, গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী সহ অনুষ্ঠান ১৯ টি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং দলের বিভিন্ন পদস্থ কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন রাজ্যের রাজ্য সভাপতি, সেই সঙ্গে দলীয় কর্মী সমর্থকেরাও।
বৈঠক শুরুর আগেই শামসাবাদে বিরাট রোড শো করলেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। ইতিমধ্যেই তেলেঙ্গানার শহর হায়দ্রাবাদ সেজে উঠেছে ফেস্টুন, বড় বড় কাট আউট, ব্যানার, পোস্টারে। কার্যত হায়দ্রাবাদের রং এই মুহূর্তে গেরুয়া। শনি ও রবি এই দুই দিন চলবে এই জাতীয় কর্ম সমিতির বৈঠক। রবিবার সন্ধ্যা ৬.৩০ মিনিটে বৈঠকের সমাপ্তি। বৈঠকের অন্তিম লগ্নে নরেন্দ্র মোদি জনসভা করতে পারেন বলে দলীয় সূত্রে খবর। মূলত যে যে বিষয়ে নজর থাকতে পারে এই বৈঠকে। এই মুহূর্তে পাঞ্জাব, হরিয়ানা, রাজস্থান, পশ্চিমবঙ্গ সহ একাধিক রাজ্যে বিজেপির পরিস্থিতি কি সে বিষয়ে আলোচনা হতে পারে বৈঠকে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকারের যে সকল প্রকল্প বিভিন্ন রাজ্যে চালু রয়েছে সেই প্রকল্প সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছে কিনা এবং সাধারণ মানুষ কতটা গ্রহণ করছে সে বিষয়ে পর্যালোচনা হতে পারে বৈঠকে। দলের ব্যাপ্তি ঘটানোর জন্য কি কি পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে সেই সঙ্গে দলের সদস্যপদ বৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হতে পারে এ বৈঠকে বলে জানা গিয়েছে।

বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের কাজের পর্যালোচনা সেই সঙ্গে সেই রাজ্যে দলের রাজনৈতিক অবস্থান এবং দলের ভিত মজবুত করার বিষয়েও আলোচনা হতে পারে এই বৈঠকে। দুই দিনের এই কর্ম সমিতি বৈঠকের সমাপ্তি হবে নরেন্দ্র মোদির জনসভা দিয়ে সে ক্ষেত্রে জনসভায় অধিক সংখ্যক মানুষের সমাগম করার উদ্দেশ্যে ইতিমধ্যেই নেমে পড়েছে বিজেপি নেতৃত্ব।
উল্লেখ্য, লক্ষ্য ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচন। এই বৈঠকে সেই নির্বাচনেই প্রাথমিক রণকৌশল তৈরি হবে, অনুমান রাজনৈতিক মহলের। পাশাপাশি, তেইশে তেলেঙ্গনা এবং কর্ণাটকে ভোট। ২০২৪-এর লোকসভা ভোটকে সামনে রেখে দক্ষিণে জমি শক্ত করতে বদ্ধপরিকর বিজেপি।


More Stories
ইউসিসি বা অভিন্ন দেওয়ানি বিধির প্রভাব কোথায়? বিরোধিতা কেন?
১৫ আগস্ট ইনডিপেনডেন্স ডে নয়, অর্থ গুলিয়ে ফেলে নতুন সংজ্ঞা শান্তনু ঠাকুরের
নেতাজি ইস্যু : অনন্ত মহারাজকে উন্মাদ আখ্যা দিলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত!