সময় কলকাতা ডেস্কঃ বর্ষা আসতেই বন্যার আশঙ্কায় সন্দেশখালি। বারবার প্রশাসনকে জানিয়েও মেলেনি সুরাহা। ইতিমধ্যেই বাঁধের ক্ষয় হতে হতে একেবারে শীর্ণকায় দশা। স্বাভাবিক ভাবেই আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে সন্দেশখালির বাসিন্দারা।

সারাবছরই প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে মোকাবিলা করতেই থাকে সুন্দরবন এলাকার মানুষ। এবার আবারও বসিরহাট মহকুমার সুন্দরবনের সন্দেশখালী ২নং ব্লকের মণিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের রায়মঙ্গল নদীর বাঁধে ব্যাপক মাটির স্খলন হয়ে মাটি সরে গিয়ে সরু সুতোর মতো অবস্থা বাঁধের। যেকোনো মুহূর্তে রায়মঙ্গল নদী গ্রাস করতে পারে গোটা গ্রামকে। দীর্ঘদিন ধরে মণিপুর পূর্বপাড়া, মিঠাখালি ও নলপাড়া সহ বিস্তীর্ণ এলাকায় কয়েক কিলোমিটার নদী বাঁধের অবস্থা শোচনীয় হয়ে রয়েছে। এমনিতেই অনাবৃষ্টির জন্য চাষে সেরকম লাভের মুখ দেখেনি গ্রামবাসী। তারওপর বাঁধ ভেঙ্গে গ্রামে জল ঢুকলে তাদের চরম ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে। তখন মৃত্যু ছাড়া আর কোন পথ থাকবেনা এমনটাই জানাচ্ছে গ্রামবাসীরা।

ভরা কোটালে রায়মঙ্গল নদীর জল বেড়ে যাওয়ায়, আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে এলাকাবাসীরা। ইতিমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন মণিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান প্রসেনজিৎ গাঙ্গুলী। তিনি কথা বললেন এলাকাবাসীদের সঙ্গে। দ্রুত এই রায়মঙ্গল নদী বাঁধের কাজ হবে বলে জানান তিনি। সেইসঙ্গে সেচ দফতরের আধিকারিক রানা চ্যাটার্জি জানান, এর আগেও যে পদ্ধতিতে বাঁধ মেরামতির কাজ হয়েছিল সেইভাবেই ইতিমধ্যেই তারা কাজ শুরু করে দিয়েছেন। গ্রামবাসীদের দাবি, যত দ্রুত সম্ভব এই নদীর বাঁধ মেরামতি করা হোক। নাহলে যে কোনো সময় নদীর বাঁধ ভেঙে এলাকায় জল ঢুকতে পারে। তাই একপ্রকার রাত পাহারা দিচ্ছেন এলাকাবাসীরা। সব মিলিয়ে বলা যায় কোটাল পরবর্তী সুন্দরবন বাঁধ ভাঙ্গার আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছে। এখন দেখার কতদিনে এই বাঁধ মেরামতির কাজ সম্পন্ন হয়।


More Stories
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
বকেয়া ডিএ-র সুখবর : কবে টাকা পাবেন সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীরা?
এবারের ভোট বাংলার আত্মাকে রক্ষা করার লড়াই, ব্রিগেডে বললেন প্রধানমন্ত্রী