সময় কলকাতা ডেস্ক: বিশ্বের তাবড় তাবড় স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের ঘুম কেড়ে নিয়েছিল করোনার সংক্রমণ। একের পর এক ভ্যারিয়েন্টের দাপটে কার্যত নাজেহাল হয়ে উঠেছিলেন আমজনতা। সেই আতঙ্কে যখন একটু একটু করে রাশ টেনে ধরেছিল ভ্যাকসিন, সেই সময়ই নতুন করে আতঙ্ক বাড়াচ্ছে এক শতক পুরোনো সংক্রমণ মাঙ্কিপক্স। কিন্তু দুই সংক্রমণের মধ্যে বিস্তর যে ফারাক রয়েছে, তা কিন্তু নয়। তবে পক্সের মত ছোট ছোট ফুস্কুরি এই মাঙ্কিপক্সের সংক্রমণ বোঝার অন্যতম উপায়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মাঙ্কিপক্স সহজে সংক্রমিত হয় না। এর সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে ২০ থেকে ২১ দিন সময় লাগে। সংক্রমিতদের চিহ্নিত করতেও কোনও সমস্যা হয় না। মহামারী হিসেবে এর ছড়িয়ে পড়া রোধ করা সম্ভব। স্মলপক্স ভ্যাকসিন মাঙ্কিপক্স নিরাময় করতে কার্যকরী প্রভাব ফেলতে পারে।

অন্যদিকে করোনায় আক্রান্তদের সাধারন উপসর্গগুলি খানিকটা এরকম। রোগীর জ্বর, ঠাণ্ডা, পেশী ব্যথা, ক্লান্তি, মাথাব্যথার পাশাপাশি গুরুতর সংক্রমিতদের ক্ষেত্রে বমি এবং ডিহাইড্রেশনের সমস্যাও দেখা গিয়েছে। সেক্ষেত্রে মাঙ্কিপক্সের প্রাথমিক উপসর্গও খানিকটা একইধরণের। তবে সংক্রমণের পদ্ধতি একেবারেই আলাদা। মাঙ্কিপক্সের ক্ষেত্রে কম রান্না করা মাংস বা সংক্রমিত পশুর পশুজাত দ্রব্য খাওয়ার থেকে সংক্রমণ হতে পারে। তাই সতর্ক থেকে সংক্রমণ রোধ করতে হবে। উভয়ক্ষেত্রে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকাটা ভীষণ ভাবে প্রয়োজন, এমনটাই মত বিশেষজ্ঞদের।


More Stories
যুবকের নতুন জীবন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য প্রকল্পের হাত ধরে
রাতারাতি আট চিকিৎসক বদলি, চিকিৎসা সংকটে ধুপগুড়িবাসী
ডুয়ার্সে সফল আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প