সময় কলকাতা ডেস্কঃ একটা নয়, দুটো নয়। মোট আটটা দেশকে নিজের ক্যারাটের প্যাঁচে এমন কাবু করেছে, যে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পথে ঋতিকা আরও একধাপ এগিয়ে গেল। বসিরহাটের টাকির ১৬ নং ওয়ার্ডের এই খুদে বাসিন্দা এখন রীতিমত সেলিব্রিটি।
কমনওয়েলথ গেমসে একের পর এক সোনা, রূপো ও ব্রোঞ্জ পদকের বন্যা বইছে। ভারতীয় খেলোয়াড়দের প্রশংসায় পঞ্চমুখ বিদেশিরাও। সেই সময়ই বাংলার নাম বিশ্বের দরবারে উজ্জ্বল করল খুদে ঋতিকা। নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে ষষ্ঠ ইন্টারন্যাশনাল ক্যারাটে প্রতিযোগিতায় ইতালি, তুরস্ক, পাকিস্তান, মেক্সিকো, নেপাল ও বাংলাদেশের মতো ৮টি দেশের প্রতিযোগীদের হারিয়ে সোনা এবং রূপোর জোড়া মেডেল এনেছে সে। আন্তর্জাতিক ক্যারাটের মঞ্চে এখন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ঋতিকা।
মাত্র আড়াই বছর বয়স থেকেই এই খুদে ক্যারাটে মাস্টার প্রশিক্ষণ শুরু করেছে। তার অনুশীলন এবং পরিশ্রম একের পর এক রাজ্য স্তরের প্রতিযোগিতায় প্রদর্শিত হয়েছে। বদলে সে পেয়েছে অনেক পুরস্কার। বছর পাঁচেকের ঋতিকা এখন প্রথম শ্রেণির ছাত্রী। অথচ এই বয়সেই ভোল্ট, কিকবক্সিং, স্টেপল, চেজিঙ্ক অনায়াসে রপ্ত করে ফেলেছে সে। এবার তার আগামী দিনের লক্ষ্য বিশ্ব ক্যারাটে চ্যাম্পিয়নশিপের লড়াইয়ে যোগ দেওয়া। ক্যারাটে প্রশিক্ষক বাকিবিল্লা গাজীর তত্ত্ববধানে কড়া ট্রেনিংয়ে এখন ব্যস্ত খুদে ঋতিকা।

বাবা প্রসেনজিৎ নাথ একটি মোবাইলের দোকানের কর্মী। একমাত্র মেয়েকে নিয়ে পরিবারের গর্বের শেষ নেই। তাই তার জন্য সব রকম প্রচেষ্টা করে চলেছেন তাঁরা। একইসঙ্গে দেশের ও বাংলার নাম উজ্জ্বল করা এক অন্য ঋতিকাকে চিনছে সবাই।


More Stories
এবার থানায় থানায় বাগেশ্বর বাবার বিরুদ্ধে এফআইআর করবে কংগ্রেস
মেজবাবুকে চড় মেরে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছি : রেখা পাত্র
ডার্বির উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে , বড় ম্যাচে বড় পরীক্ষা পুলিশের