সময় কলকাতা ডেস্কঃ স্বাধীনতার ৭৫ তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই ভাষণেও ভাই এবং ভাতিজাতন্ত্র এই দুই শব্দবন্ধনী উল্লেখ পরিবারতন্ত্র নিয়ে তিনি কড়া সমালোচনায় বিঁধলেন বিরোধীদের।

টেলিপ্রম্পটার নয়, কাগজে লেখা নোট দেখেই স্বাধীনতা দিবসের ৭৫ তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে জাতির উদ্দেশ্যে নবম ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর গলায় শোনা গেল এই পরিবারতন্ত্রের কথা। ৮৩ মিনিটের এই বক্তৃতায় দেশবাসীদের উন্নয়নের বার্তার মাঝেই তিনি সতর্ক করে দিলেন বিরোধীদের। অর্থশাস্ত্রের নিরিখে দেশের চালচিত্রের ফারাকটাও প্রধানমন্ত্রীর এদিনের ভাষণে স্পষ্ট। খুব সহজ ভাষায় তিনি যেন বুঝিয়ে দিতে চাইলেন, দুর্নীতির প্রভাবেই দেশের নাগরিকদের মধ্যে ধনী দরিদ্রের সীমারেখাটা ক্রমশ বাড়ছে। কিন্তু এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইটা জারি রাখার বার্তাও দিতে ভোলেননি প্রধানমন্ত্রী।
পরিবারতন্ত্র রাজনীতির পরিবেশ থেকে গোটা দেশে ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ছে। প্রধানমন্ত্রীর বার্তায় এই বিষয়ে উদ্বেগের সুর শোনা গিয়েছে। সেই জাল থেকে বেরোনোর সময় চলে এসেছে, তাই যোগ্যতার ভিত্তিতে অগ্রগতিই আসল পদক্ষেপ হওয়া উচিত। কারণ এতে দেশের সম্ভাবনাময় প্রতিভারা পিছিয়ে পড়ছে। ক্ষোভের সুর শোনা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর গলায়।

স্বাধীনতা দিবসের বিশেষ অনুষ্ঠানে লালকেল্লা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর গলায় এই বিষয়গুলি নিয়ে ক্ষোভের সুর অত্যন্ত ইঙ্গিতপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। চলতি বছরে লাগাতার একের পর এক দুর্নীতি কাণ্ডে যখন প্রশাসন, আদালতের মুখে একে একে পড়েছেন সোনিয়া গান্ধি, রাহুল গান্ধি, সঞ্জয় রাওতরা; গরু পাচারকাণ্ড, এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত থাকার অপরাধে জেলে গিয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অনুব্রত মণ্ডলরা – সেই সময় সার্বিক প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে বিরোধীদের অত্যন্ত সচেতনভাবেই কড়া ভাষায় আক্রমণ শাণিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।


More Stories
ইউসিসি বা অভিন্ন দেওয়ানি বিধির প্রভাব কোথায়? বিরোধিতা কেন?
১৫ আগস্ট ইনডিপেনডেন্স ডে নয়, অর্থ গুলিয়ে ফেলে নতুন সংজ্ঞা শান্তনু ঠাকুরের
নেতাজি ইস্যু : অনন্ত মহারাজকে উন্মাদ আখ্যা দিলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত!