সময় কলকাতা ডেস্কঃ হিন্দু পৌরাণিক কাহিনী মতে বিশ্বকর্মা হলেন দেবশিল্পী। পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা হলেন বিশ্বকর্মা। বিশ্বকর্মা মূলত সৃষ্টিশক্তির রূপক নাম।
প্যান্ডেলে এসে গিয়েছে প্রতিমা। শুরু হয়ে গিয়েছে পুজো। শাস্ত্র মতে, এবছর ১৭ সেপ্টেম্বর ৩১ ভাদ্র পড়েছে বিশ্বকর্মা পুজো। বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা মতে, বিশ্বকর্মা পুজোর তিথি (ভাদ্র কৃষ্ণপক্ষ) সপ্তমী দিবা ঘটিকা ২টো ১৫ মিনিট পর্যন্ত। আবার গুপ্ত প্রেস পঞ্জিকা মতে, তিথি (ভাদ্র কৃষ্ণ পক্ষ) সপ্তমী ঘটিকা ৩টে ৩ মিনিট ২০ সেকেন্ড পর্যন্ত। ব্যবসার উন্নতি করতে বিশ্বকর্মার আরাধনা করুন বিশেষ নিয়মে,
বিশ্বকর্মা ঠাকুরের হাতে ঘুড়ি দিয়ে থাকেন সকলেই। ঠাকুরের হাতের ঘুড়ি পুজো শেষে ভাসিয়ে দেবেন না। বরং, সেই ঘুড়ি ব্যবসার জায়গায় রেখে দিন। এতে ব্যবসায় উন্নতি ঘটবে।
শিল্পের দেবতা বিশ্বকর্মাকে দিন সাদা মিষ্টি । দেবশিল্পী বিশ্বকর্মা সাদা মিষ্টিতে প্রসন্ন হন।
বিশ্বকর্মা ঠাকুরের হাতে দিন কাশ ফুল। এতে মিলবে তাঁর কৃপা।
বাতাবি লেবু, হলুদ ফল, হলুদ ফুল দিন বিশ্বকর্মাকে। হলুদ ফুলে প্রসন্ন হন দেবতা। তাই পুজোয় অবশ্যই বাতাবি লেবু, হলুদ ফল, হলুদ ফুল দিন নিবেদন করুন।
এদিন সকালেন স্নানের জলে কালো তিল ফেলে দিন। সেই জলে স্নান করুন। এতে জীবনের সকল দুর্ভোগ কেটে যাবে।

বাঙালির ১২ মাসে ১৩ পার্বন। সব উত্সব মধ্যে সেরা উত্সব হল দুর্গোত্সব। তার আগেই মা দুর্গার আগমন জানান দিতে আসেন বিশ্বকর্মা। বিশ্বকর্মা পুজো মানেই শুরু হয়ে যায় দুর্গোত্সবের প্রস্তুতি পর্ব।


More Stories
হর্ষ-বিষাদে পালিত ঈদ-উল-আযহা
বাংলা নববর্ষের ইতিহাস
চিকিৎসকের বঙ্গসংস্কৃতির উদযাপন নববর্ষে