সময় কলকাতা ডেস্কঃ ‘সব তীর্থ বারবার গঙ্গাসাগর একবার’। গঙ্গার মর্ত্যে আসা ও সগর রাজার পুত্রদের জীবনদানের লোকগাথাকে ঘিরে গড়ে উঠেছে এই তীর্থভূমি। মকর সংক্রান্তির পুণ্য তিথিতে লক্ষ লক্ষ মানুষের ভিড় জমে এই গঙ্গাসাগর মেলায়। আর মাত্র কয়েকমাস পরেই গঙ্গাসাগর মেলা। তার আগেই রাজ্যের পূণ্যার্থীদের কথা মাথায় রেখে তৈরি হল ফুডকোর্ট। এই ফুড কোর্টে মিলবে ইডলি, ধোসা থেকে শুরু করে সমস্ত অবাঙালি খাবারের সন্ধ্যান। সাগর ব্লক প্রশাসন ও পঞ্চয়েত সমিতির যৌথ উদ্যোগে এই ফুডকোর্টটি খোলা হয়েছে। এই ফুডকোর্টের নাম দেওয়া হয়েছে সাগর কন্যার ফুডকোর্ট।
এই ফুডকোর্টটি স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা পরিচালনা করবেন। ইতিমধ্যে এই ফুড কোর্টটি কাজ শুরু করে দিয়েছে। সাগরমেলার সময় এই ফুড কোর্টটি বাইরের রাজ্যেরর পূণ্যাির্থীদের খাবারের চাহিদা পূরণ করবে। প্রতিবছর সাগর মেলায় লক্ষাধিক মানুষের সমাগম হয়। তারমধ্যো অবাঙালি পূণ্যাীর্থীর সংখ্যাূ বেশিই থাকে। তবে গত দুবছর অতিমারির কারণে বিধিনিষেধ থাকায় সাগর মেলায় তেমন ভক্ত সমাগম হয়নি। চলতি বছর আর করোনাবিধি না থাকায় সেই সংখ্যার অনেকটাই বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। এই বিপুল সংখ্যচক পূণ্যার্থীদের স্বাভাবিক খাবারে যাতে কোনো প্রভাব না পড়ে সেজন্য এই ফুডকোর্ট সর্বদা খোলা থাকবে। বর্তমানে এই ফুডকোর্ট থেকে ১২ রকম খাবার পাওয়া যাচ্ছে।

এ বিষয়ে ফুড কোর্টের এক মহিলা কর্মচারী টুসি জানা জানান, ‘সাগর ব্লক বিডিও অফিসের কাছে এই ফুড কোর্টটি খোলা হয়েছে। এই ফুড কোর্টটি সম্পূর্ণ মহিলারাই পরিচালনা করছেন। ফুডকোর্টে পাওয়া যাচ্ছে ইডলি, ধোসা, ধোকলা, মোমো সহ অন্যা ন্যট খাদ্যহ সামগ্রী।’ অন্যদিকে এই ফুডকোর্ট নিয়ে যথেষ্ট উচ্ছসিত সাগর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি স্বপন কুমার প্রধান। তিনি জানান, ‘গঙ্গাসাগর এখন সর্বভারতীয় পুণ্যক্ষেত্র। কুম্ভমেলার পরই যার স্থান। সেজন্য এই মিলনক্ষেত্রে ভারতের বিভিন্ন রাজ্য থেকে পূণ্যার্থীরা আসেন। তাদের যাতে খাবার নিয়ে কোনো সমস্য়া না হয় সেই কারণেই এই ফুডকোর্ট খোলা হয়েছে।’


More Stories
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
বকেয়া ডিএ-র সুখবর : কবে টাকা পাবেন সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীরা?
এবারের ভোট বাংলার আত্মাকে রক্ষা করার লড়াই, ব্রিগেডে বললেন প্রধানমন্ত্রী