সময় কলকাতা ডেস্কঃ গরুপাচার মামলায় তদন্তে নেমে একের পর এক রহস্যের উন্মোচন। একজন প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষিকার কীভাবে আয় বৃদ্ধি হল, এবার তা নিয়ে তদন্ত শুরু করল সিবিআই। একই সঙ্গে তাঁর সংস্থাগুলির বিপুল আয় বৃদ্ধি নিয়েও তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই।
অনুব্রতর বিরুদ্ধে সিবিআই যে চার্জশিট জমা দিয়েছে, তাতে উল্লেখ রয়েছে, ২০১৩-২০২২ সালের এখনও পর্যন্ত অনুব্রত ও তাঁর পরিবার সম্পত্তি কিনেছে প্রায় ১০ কোটি টাকার। সূত্রের খবর, এই ১০ কোটি আসলে হল দলিল মূল্য। বাজার মূল্য বা প্রকৃত মূল্য এর কয়েকগুণ বলেই ধারণা তদন্তকারী অফিসারদের। চার্জশিট বলছে, অনুব্রতর পরিবার এই ন’বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সম্পত্তি কিনেছিল ২০১৪ সালে। ওই বছর অনুব্রত, তাঁর প্রয়াত স্ত্রী ছবি মণ্ডল ও মেয়ে সুকন্যার নামে সাড়ে চার কোটি টাকার বেশি সম্পত্তি কেনা হয়েছিল। অনুব্রতর নামে ৮টি জমির নথি পেয়েছে সিবিআই। মণ্ডল পরিবার সম্পত্তি যে শুধু কিনেই গিয়েছে তেমনটা নয়। জমি বিক্রিও করেছে। সিবিআইয়ের চার্জশিটে উল্লেখ রয়েছে ২০১৫ থেকে ২০১৯ ও ২০২১ সালে এই সম্পত্তিগুলি বিক্রি করেছিল মণ্ডল পরিবার। সিবিআইয়ের চার্জশিটের ২৩ নম্বর পৃষ্ঠায় উল্লেখ রয়েছে একুশে অনুব্রত প্রায় এক কোটি ৩৩ লক্ষ টাকার সম্পত্তি বিক্রি করেছিলেন।

প্রসঙ্গত, বুধবারের পর বৃহস্পতিবারও বীরভূমে সক্রিয় সিবিআই। এদিন শান্তিনিকেতনের রতন কুঠিতে, সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্প অফিসে পৌঁছলেন বোলপুরের জমি রেজিস্ট্রি অফিসার। তাদেরকে বেশ কিছু জমির নথি নিয়ে যেতে বলা হয়েছিল বলে সূত্রের খবর। সেই অনুযায়ী, অফিসার বেশ কিছু নথি নিয়ে প্রবেশ করেন অস্থায়ী ক্যাম্প অফিসে। আগামী সোমবারের মধ্যে সংস্থার সমস্ত নথি জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নোটিস পাঠানো হয়েছে অনুব্রতর ভাগ্নে রাজা ঘোষ-সহ একাধিক চালকলের মালিককেও।


More Stories
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
বকেয়া ডিএ-র সুখবর : কবে টাকা পাবেন সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীরা?
এবারের ভোট বাংলার আত্মাকে রক্ষা করার লড়াই, ব্রিগেডে বললেন প্রধানমন্ত্রী