সময় কলকাতা ডেস্ক: লালন শেখের রহস্যমৃত্যুর ঘটনায় এবার সিবিআইকে নোটিস পাঠাল সিআইডি। তদন্তকারী আধিকারিককে উদ্দেশ্য করে নোটিসটি পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, আত্মহত্যা নাকি খুন, সেই সংক্রান্ত তথ্যের খোঁজে নোটিস পাঠানো হয়েছে। ওই নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে, কীভাবে মৃত্যু হল লালনের? সেই সময় ক্যাম্পের ইনচার্জ কে ছিলেন? ক্যাম্পে আর কারা কারা ছিলেন? সিনিয়র তদন্তকারী আধিকারিক ছিলেন কিনা? ক্যাম্পে সিসিটিভি ছিল কিনা? থাকলে সেই ফুটেজও চেয়ে পাঠিয়েছে সিআইডি। এবার সিবিআই আধিকারিকরা কী উত্তর দেন, সেটাই দেখার।
উল্লেখ্য, বগটুই হত্যাকাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত লালন শেখের রহস্যমৃত্যুর কিনারা করতে সিবিআইএর অস্থায়ী ক্যাম্পের পর লালন শেখের বাড়িতে পৌঁছায় ফরেন্সিক টিম। সেখানে দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় লালনের স্ত্রীকে। লালন শেখের স্ত্রী রেশমা বিবির বয়ান রেকর্ড করেন তাঁরা। লালনের স্ত্রী রেশমা বিবি তিন পাতার অভিযোগ করেছেন। অন্তত ৭ জন সিবিআই আধিকারিকের নাম রয়েছে। লালন শেখের মৃত্যুতে তাঁদের কী ভূমিকা ছিল, কেন তাঁদের নাম এফআইআর-এ রয়েছে, সেগুলিও জানতে চায় সিআইডি।

পুলিশ সূত্রে আগেই জানা গিয়েছে, লালনকে ‘পার্শিয়াল হ্যাঙ্গিং’ অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে। অর্থাৎ মাটিতে পা ঠেকে ছিল। ছবিতেও তাই দেখা গিয়েছে। লালনের মৃত্যু রহস্যের তিনটি দিক। প্রশ্ন অনেক। বীরভূমের রামপুরহাটে খুন হয়েছিলেন তৃণমূল নেতা ভাদু শেখ। মৃত্যুর কয়েকঘণ্টার মধ্যেই বগটুই গ্রামের একাধিক বাড়িতে অগ্নিসংযোগের মতো নারকীয় ঘটনা ঘটে। সরকারি হিসেব অনুযায়ী, অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যুর সংখ্যাটা ছিল ৮। যদি, এই হিসেবের হেরফের রয়েই গিয়েছে। অভিযোগ হল, ওভাবে এতগুলো মানুষকে পুড়িয়ে মারার ঘটনার নেতৃত্ব দিয়েছিল লালন শেখ। অর্থাৎ বগটুই গণহত্যার ঘটনায় লালনই অন্যতম অভিযুক্ত। চলতি মাসেই ঝাড়খণ্ডের পাকুড় থেকে গ্রেফতার করা হয় লালনকে। জানা গিয়েছে, সোমবার দুপুরে সিবিআইয়ের অস্থায়ী শিবিরের নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন ২ জন সিবিআই আধিকারিক এবং ১ জন কেন্দ্রীয় জওয়ান। সেই সময় লালনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।


More Stories
মিলেছে”প্রমাণ “, বারাসাত কলেজে গোপনে মদ্যপান ও যৌনশিক্ষার আসর চলার অভিযোগ
বাজেট ও ক্ষুদ্র চা-চাষীদের স্বপ্ন
ধাক্কা তৃণমূলে, জ্যোতিপ্ৰিয় মল্লিক দলীয় সব পদ থেকে ইস্তফা দিলেন