সময় কলকাতা ডেস্কঃ চলন্ত প্যাজেঞ্জার ট্রেন আস্ত একটা বাজার। নিউ জলপাইগুড়ি থেকে হলদিবাড়ি প্যাসেঞ্জার ট্রেনের প্রতিদিন রাতে দেখা যায় এমনই দৃশ্য।
বাংলায় একটা প্রবাদ তো নিশ্চয়ই সবারই জানা আছে, ‘রথ দেখাও হল, সঙ্গে কলা বেচাও’। এর অর্থ এক সুযোগে দুটি কাজ করে ফেলা। তেমনটাই ঘটছে নিউ জলপাইগুড়ি থেকে হলদিবাড়ি প্যাসেঞ্জার ট্রেনে। বেশিরভাগ চাকুরিজীবী মানুষই অফিস থেকে বাড়ি ফেরার পথে সংসারের প্রয়োজনীয় জিনিস কিনে বাড়ি ফেরেন। কিন্তু, সেই জিনিসপত্র যদি যাতায়াতের পথেই হয় তাহলে তো কোনও কথাই নেই। সেই পরিস্থিতিই হয়েছে হলদিবাড়ি প্যাসেঞ্জার ট্রেনে। প্যাসেঞ্জার ট্রেনের কামরার ভিতরেই বসেছে বাজার। চলন্ত ট্রেনের বেশ কয়েকটি কামরায় নিয়মিত বিক্রি হচ্ছে পালং শাক, বেগুন, ফুলকপি, মূলো, ধনেপাতা, কাঁচালঙ্কা সহ বিভিন্ন প্রকারের শাকসবজি। নিত্যযাত্রীরা ভিড় করে কিনছেনও সেগুলি।
জানা গিয়েছে, এটা শুধু একদিনের ঘটনা নয়। প্রতিদিন রাতেই এনজেপি-হলদিবাড়ি ডিএমইউ প্যাসেঞ্জার ট্রেনে এই দৃশ্য দেখা যায়। সবজি বিক্রেতারা প্রচুর পরিমাণ সবজি নিয়ে প্রতিদিনই হলদিবাড়ি থেকে শিলিগুড়ি এবং জলপাইগুড়ির বাজারে যান। দিনভর সেখানে বিক্রি-বাট্টা সেরে শেষ ট্রেনে হলদিবাড়ি ফিরে যান তাঁরা। আর সেই সুযোগেই প্যাসেঞ্জার ট্রেনকেই তাঁদের বাজার বানিয়ে ফেলেন।

রাতের ট্রেনগুলিতেই মূলত এই দৃশ্য দেখা যায় বলে জানা গেছে। অনেকে ভিড় করে সবজি কিনলেও একাংশ ট্রেনের ভিতরে এভাবে সবজি বিক্রির বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। ট্রেনের কামরায় এভাবে সবজি বিক্রি বেআইনি বলেও দাবি তুলেছেন অনেকে। উঠছে, নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন।


More Stories
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
বকেয়া ডিএ-র সুখবর : কবে টাকা পাবেন সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীরা?
এবারের ভোট বাংলার আত্মাকে রক্ষা করার লড়াই, ব্রিগেডে বললেন প্রধানমন্ত্রী