Home » শিউলির অভাব! প্রাচীন সংস্কৃতি বাঁচানোর চেষ্টায় সুন্দরবনবাসী

শিউলির অভাব! প্রাচীন সংস্কৃতি বাঁচানোর চেষ্টায় সুন্দরবনবাসী

সময় কলকাতা ডেস্কঃ সুন্দরবনে শিউলির অভাব। তাই মেদিনীপুর, মুর্শিদাবাদ সহ বিভিন্ন জায়গা থেকে শিউলি এসে নলেন গুড়ের পাটালি তৈরি করে বিক্রি করছেন। প্রাচীন সংস্কৃতি বাঁচানোর চেষ্টায় পাশে রয়েছে সুন্দরবনবাসী। এদিকে নলেন গুড়ের পাটালি জিআই তকমা পাওয়ার দাবি উঠেছে।

শীতকাল মানেই নলেন গুড়ের পাটালির কথা সবার আগে মনে আসে। আর নলেন গুড়ের নাম শুনলেই জিভে জল চলে আসে খাদ্য রসিক বাঙালির । নলেন গুড়ের যে কোনো মিষ্টি মানেই খুবই লোভনীয়। আর এদিকে সুন্দরবনে খেজুরের গাছ কাটার শিউলির অভাব। কেননা পরিশ্রম বেশি সেই অর্থে রোজগার কম। তাই এই পেশা থেকে মুখ ফিরিয়েছে প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিউলিরা। উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটের হিঙ্গলগঞ্জ ব্লকের প্রত্যন্ত সুন্দরবনের বাঁকড়া, স্যান্ডেলের বিল সহ বিভিন্ন গ্রামে শীত পড়লে মুর্শিদাবাদ, মেদিনীপুর থেকে ৫০ জন শিউলির আশ্রয় হয় প্রত্যন্ত সুন্দরবন অঞ্চলে। তারা এখানে এসে নলেন গুড় তৈরি করে গ্রামবাসীদের কাছে বিক্রি করেন। সেই গুড় খেয়ে খুশি গ্রামবাসীরা। প্রাচীন সংস্কৃতি বাঁচানোর চেষ্টায় পাশে রয়েছে সুন্দরবনবাসী।

জীবন জীবিকা রোজগারের টানে শিউলিরা চলে আসেন এইসব অঞ্চলে। তিন মাস ধরে বিভিন্ন গ্রামগঞ্জে খেজুরের গাছ কেটে মাটির হাঁড়ি বসিয়ে রস বের করা হয়। আর সেই রস আগুনে জ্বাল দিয়ে নলেন গুড় তারপর পাটালি এমন কি নলেন গুড়ের সন্দেশ তৈরি হয়। যা রাজ্য ছাড়িয়ে ভিন রাজ্য এমনকি সুদূর বিদেশেও রপ্তানি হয়। এদিকে ভারতজুড়ে নলেন গুড়ের পাটালির যে খ্যাতি সেখানে জিআই তকমা যাতে পেতে পারে সেই প্রশ্ন তুলে দিয়েছেন সমাজের বিশিষ্টজনেরা।

About Post Author