সময় কলকাতা ডেস্ক: বুধবার শাসকদলের জনসভা। আসছেন রাজ্য তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। তার আগে সরগরম এলাকার রাজনীতি।ডিওয়াইএফআইএর জনসভার একদিন পরেই তৃণমূলের জনসভা কার্যত প্রেস্টিজ ফাইট শাসকদলের কাছে। জনসভা সফল করতে চলছে চূড়ান্ত মুহূর্তের প্রস্তুতি। সেলিম এবং মীনাক্ষীর বক্তব্যের পাল্টা দিল তৃণমূল। বামেরা বাইরে থেকে লোক এনেছিল তৃণমূলের জনসভা প্রমাণ করে দেবে এলাকার মানুষ কার সঙ্গে আছে। দাবি তৃণমূল নেতৃত্বের। চোরের সভাতে মানুষ আসবে না পাল্টা কটাক্ষ সিপিআইএমের। সব মিলিয়ে তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা।

বুধবার মালদা জেলার হরিশচন্দ্রপুরে তৃণমূলের জনসভা। উপস্থিত থাকছেন রাজ্য তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক তথা প্রধান মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। সেই জনসভা সফল করতে তৎপর এলাকার তৃণমূল নেতৃত্ব। চলছে চূড়ান্ত মুহূর্তের প্রস্তুতি। এদিকে সোমবার হরিশচন্দ্রপুরে ভারতের গণতান্ত্রিক যুব ফেডারেশনের পশ্চিমবঙ্গ সংগঠনের রাজনৈতিক এবং সাংগঠনিক কর্মশালা উপলক্ষ্যে উপস্থিত ছিলেন সিপিআইএমের রাজ্য সম্পাদক মোহাম্মদ সেলিম এবং যুবনেত্রী মীনাক্ষী মুখার্জী। দুজনেই বিভিন্ন ইস্যুতে মঞ্চ থেকে তীব্র আক্রমণ করেন তৃণমূলকে। একদিনের ব্যবধানে দুই রাজনৈতিক দলের হাই ভোল্টেজ জনসভা। প্রতিক্রিয়া পাল্টা প্রতিক্রিয়াই এই মুহূর্তে সরগরম হরিশ্চন্দ্রপুরের রাজনীতি। কনকনে শীতে ক্রমশ চড়ছে রাজনীতির পারদ।

প্রসঙ্গত একদা বামেদের শক্ত ঘাঁটি হরিশচন্দ্রপুর এই মুহূর্তে শাসকদলের দখলে। অধিকাংশ পঞ্চায়েত,জেলা পরিষদ,বিধানসভা সব জায়গাতেই জয় লাভ করেছে তৃণমূল। তাই আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া বামেরা। সিপিআইএমের যুবদের কর্মসূচিতে মানুষের ভিড় দেখে উচ্ছ্বসিত তারা। এদিকে নিজেদের তৈরি করা জমি ১ ইঞ্চি ছাড়তে নারাজ তৃণমূলও। তাই তারা চাইছে তাদের জনসভায় মানুষের ব্যাপক জমায়েত হোক। এই দিকে মীনাক্ষী এবং সেলিমের বক্তব্যের পাল্টা কি প্রতিক্রিয়া দেয় কুণাল ঘোষ সেই দিকে তাকিয়ে এলাকার রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। সব মিলিয়ে পঞ্চায়েত ভোটের প্রাক্কালে হরিশ্চন্দ্রপুরের রাজনৈতিক মহলে টানটান উত্তেজনা।


More Stories
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
বকেয়া ডিএ-র সুখবর : কবে টাকা পাবেন সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীরা?
এবারের ভোট বাংলার আত্মাকে রক্ষা করার লড়াই, ব্রিগেডে বললেন প্রধানমন্ত্রী