সময় কলকাতা ডেস্ক, ১ জানুয়ারি: ভারত ও পাকিস্তানের ৩২তম তথ্য আদান-প্রদান সংঘটিত হল বছরের শুরুতে। প্রতিবছরই ১লা জানুয়ারি দুই দেশের মধ্যে প্রযুক্তি এবং বন্দিদের তথ্য আদান-প্রদান করা হয়। এই তথ্য আদান-প্রদান শুরু হয়েছিল ১৯৯২ সালের পয়লা জানুয়ারি।১৯৮৮ সালের ৩১শে ডিসেম্বর প্রথম চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ২৭ সে জানুয়ারি ১৯৯১ সালে প্রথম কার্যকরী হয় এই চুক্তি। ১৯৯২ সালের পয়লা জানুয়ারি থেকে তথ্য আদান-প্রদান শুরু করে ভারত ও পাকিস্তান। শুধুমাত্র বন্দি সংক্রান্ত তথ্য আদান প্রদান নয় পরমাণু স্থাপনা এবং সুযোগ সুবিধাগুলির তথ্য আদান-প্রদান হয় এই ১লা জানুয়ারি। কনস্যুলার এক্সেস সংক্রান্ত ২০০৮ সালের চুক্তির বিধান অনুযায়ী উভয়পক্ষ অর্থাৎ নয় দিল্লি এবং ইসলামাবাদ কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে বছরে দুইবার ১লা জানুয়ারি এবং ১লা জুলাই একে অপরের হেফাজতে থাকা বন্দীদের তালিকা বিনিময় করে। দুই দেশের বন্দি তালিকার বিনিময়ের পর জানা গিয়েছে ভারতের হেফাজতে ৩৩৯ জন পাকিস্তানি সাধারণ নাগরিক এবং ৯৫ জন মৎস্যজীবী বন্দী অবস্থায় রয়েছেন। পাকিস্তানের তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে, ৫১ জন ভারতীয় সাধারণ নাগরিক এবং ৬৫৪ জন মৎস্যজীবী বর্তমানে পাকিস্তানের জেলে বন্দি অবস্থায় রয়েছেন। এদিন দুই দেশের বন্দী তালিকা বিনিময়ের মাধ্যমে একে অপরের বন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের নাগরিকত্ব নিশ্চিত করেছে। ১লা জানুয়ারি বন্দি তালিকা বিনিময়ের সময় পাকিস্তানের তরফ থেকে ভারতে বন্দী মৎস্যজীবীদের এবং সাধারণ নাগরিকদের দ্রুত মুক্তি দেওয়ার জন্য আরজি জানানো হয়েছে চিঠির মাধ্যমে। পাশাপাশি পাকিস্তানের তরফ থেকে ৬৫ এবং ৭১ এর যুদ্ধে হারিয়ে যাওয়া সেনাদের ব্যাপারে তথ্য জানার জন্য কূটনৈতিক স্তরে ভারতের কাছে অনুমতি চেয়েছে পাকিস্তান। অপরদিকে ভারতের তরফ থেকে পাকিস্তানের কাছে, পাকিস্তানে বন্দি সাধারণ ভারতীয় নাগরিক এবং পাকিস্তানের জেলে থাকা ভারতীয় মৎস্যজীবীদের দ্রুত মুক্তির আবেদন জানানো হয়েছে।
বছরের শুরুতেই ভারত- পাকিস্তানের বন্দি তথ্যের আদান প্রদান


More Stories
নাবালক ছাত্রের সঙ্গে যৌ*ন মিলন , গ্রেফতার হাইস্কুল শিক্ষিকা
পুলওয়ামা হামলার মাস্টারমাইন্ড হামজা বুরহান খ*তম , কে এই হামজা?
সীমান্তে চ্যাংড়াবান্ধায় জমি হস্তান্তরের সিদ্ধান্তের পরই শুরু মাপজোক