Home » বাংলাদেশের রূপপুর যেন এক টুকরো রাশিয়া

বাংলাদেশের রূপপুর যেন এক টুকরো রাশিয়া

সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৬ জানুয়ারি: বাংলাদেশের পাবনার ঈশ্বরদীর নতুনহাট যেন এক টুকরো রাশিয়া। রুপপুর প্রকল্পের ছোঁয়ায় বদলে গিয়েছে এ অঞ্চলের আর্থসামাজিক চিত্র। পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ৫ হাজার রুশ নাগরিকের পদচারণায় এ পরিবর্তন এসেছে। স্থানীয় অর্থনীতিতেও ব্যাপক ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এখানকার শপিংমল, বিপণিবিতান, রেস্তোরাঁ, ফলের দোকান এমনকি কাঁচাবাজারসহ সব জায়গাতেই রাশিয়ান নাগরিকদের পদচারণা। সাইনবোর্ডগুলোতে বাংলা ইংরেজির পাশাপাশি লেখা রয়েছে রাশিয়ান ভাষা। দেখে বোঝার উপায় নেই এটা বাংলাদেশ নাকি রাশিয়ার কোন নগরী।


২০১৩ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজের উদ্বোধন করেন। রাশিয়ার পরমাণু সংস্থা রোসাটোমের সহযোগিতায় রূপপুর প্রকল্পের কাজ চলছে। রুপপুর পারমাণবিক প্রকল্পে প্রায় ৫ হাজারেরও বেশি রাশিয়ান বিশেষজ্ঞ, প্রকৌশলী ও কর্মকর্তারা কাজ করছেন। ঈশ্বরদীর নতুনহাট এলাকায় প্রকল্পে কর্মরত এসব বিদেশী নাগরিকদের জন্য নির্মাণ করা হয়েছে বহুতল ভবন। এই এলাকাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। সেখানে বাংলার পাশাপাশি চলছে রাশিয়ান ভাষারও প্রচলন রয়েছে। কয়েক বছরেই বাংলাদেশের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক, শ্রমিক- কর্মচারীরাও শিখে নিয়েছেন এ ভাষা।

বাংলাদেশের মধ্যে রূপপুর বিদ্যুৎ প্রকল্পই দেশের সর্ববৃহৎ সর্বোচ্চ ব্যয়বহুল প্রকল্প। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৩ সালে প্রথম ইউনিট থেকে এক হাজার ২০০ মেগাওয়াট এবং ২০২৪ সালে দ্বিতীয় ইউনিট থেকে আরও এক হাজার ২০০ মেগাওয়াট, মোট ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে। রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের কারনে বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে নতুন রূপ দিয়েছে। প্রকল্পের জেরে দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে উন্নতি সাধণ হচ্ছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

About Post Author