সময় কলকাতা ডেস্ক,২২ ফেব্রুয়ারিঃ উদ্ধব ঠাকরের আর্জি শুনল না সুপ্রিম কোর্ট। গত সপ্তাহেই নির্বাচন কমিশনের রায়ে বালাসাহেবের ছেলে উদ্ধব ঠাকরের হাত থেকে দলের নাম ও তির-ধনুক প্রতীক বেরিয়ে গিয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল, একনাথ শিন্ডেরাই আসল শিবসেনা। তারাই ওই নাম আর তির-ধনুক প্রতীক ব্যবহার করতে পারবেন। কমিশনের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন উদ্ধব ঠাকরে। কমিশনের সিদ্ধান্তে স্থিতাবস্থা জারির আর্জি জানিয়ে মঙ্গলবারও সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করেন উদ্ধব ঠাকরের আইনজীবী।

কিন্তু এদিন আদালত কোনও সাড়া দেয়নি। এদিকে, মঙ্গলবার একনাথ শিন্ডে শিবসেনার জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক ডেকেছিলেন। সেখানে তাঁকে সভাপতি করে শিবসেনার নতুন কর্মসমিতি ঘোষণা করা হয়। যদিও আদালত সূত্রে খবর, বুধবার সাংবিধানিক বেঞ্চের মামলা শেষ হওয়ার পর উদ্ধবের আর্জি শোনা যেতে পারে। সাংবিধানিক বেঞ্চের রুটিন মামলারই শুনানি শুরু হবে বুধবার অর্থাৎ আজ বিকাল ৩ টে থেকে। ফলে এদিনও উদ্ধবের মামলার শুনানির সম্ভাবনা কম।

উল্লেখ্য, গত বছরের জুনে মহারাষ্ট্রের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেন তাঁরই সহকর্মী একনাথ শিণ্ডে। এরপরই একনাথ শিন্ডের নেতৃত্বে প্রায় ৪০ জন বিধায়ক শিবসেনা ছেড়ে বেরিয়ে যান। এহেন পরিস্থিতিতে বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী হন একনাথ শিন্ডে। তারপরেই নিজেদের আসল ‘শিব সেনা’ বলে দাবি করে দলীয় প্রতীক ব্যবহারের অনুমতি চান শিণ্ডে। এবিষয়ে কমিশনকে উদ্ধব ঠাকরে জানিয়েছিলেন, ‘শিণ্ডে নিজে দলত্যাগ করেছেন, তিনি কখনই দলকে নিজের বলে দাবি করতে পারেন না।’ এরপর গত অক্টোবরে দলের প্রতীক ‘তির-ধনুক’ ‘ফ্রিজ’ করে দেয় নির্বাচন কমিশন। জানিয়ে দেয়, আসন্ন নির্বাচনগুলিতে উদ্ধব ঠাকরে বা একনাথ শিণ্ডে, কোনও শিবিরই দলীয় প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না। অবশেষে কাটল জট। দলের নাম-প্রতীক দুই ব্যবহারের অনুমতি পেল শিণ্ডে শিবির। নিঃসন্দেহে এই সিদ্ধান্তে অস্বস্তিতে পড়েছে উদ্ধব শিবির।


More Stories
নারদায় ঘুষ খাওয়ার ছবিও এবার তুলে ধরব, পারলে মানহানির অভিযোগ করুক: কাকলিকে চ্যালেঞ্জ কুণালের
কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে বারাসাত থানায় অভিযোগ দায়ের করলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার
ইউসিসি বা অভিন্ন দেওয়ানি বিধির প্রভাব কোথায়? বিরোধিতা কেন?