সময় কলকাতা ডেস্ক,৭ এপ্রিলঃ বাজার করতে বেড়িয়ে চায়ের দোকানে চা খাওয়ার সময় দুষ্কৃতীদের হাতে খুন হলেন চুপ্রিয়া এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল অঞ্চলের শহর-সহ সভাপতি তথা এলাকার তৃণমূল নেতা আমোদ আলী বিশ্বাস। এই ঘটনায় শুক্রবার সকাল থেকেই তীব্র উত্তেজনা ছড়ায় নদিয়ার হাঁসখালি এলাকায়। অন্যান্য দিনের মতোই এদিন সকালেও বাজার করতে এসেছিলেন আমোদ আলী। বাজার শেষে চায়ের দোকানে বসে চা খাওয়ার সময় আচমকাই ৭-৮ জনের এক দুষ্কৃত দল মোটরসাইকেলে করে এসে আমোদ আলী বিশ্বাসকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়।

প্রথমে গুলি লাগার পর ঘটনার স্থলে ছিটকে পড়েন আমোদ আলী। তারপরে তার মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে পয়েন্ট ব্ল্যাক রেঞ্জ থেকে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। গুলি চালানোর পরই বাইকে করে দুষ্কৃতীরা ঘটনাস্থল থেকে চম্পট দেয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তৃণমূলের ওই নেতা কে স্থানীয় এলাকার মানুষজন উদ্ধার করে নিয়ে যায় স্থানীয় হাসপাতালে। সেখানে অঞ্চল সহ-সভাপতির শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে কৃষ্ণনগরের শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই খুনের ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের দাবি,অবিলম্বে দোষীদের খুঁজে যথোপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে প্রশাসনকে।
আরও পড়ুন ১১ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি!

প্রসঙ্গত,এর আগেও বগুলার এক বিধায়ককে সরস্বতী পূজোর অনুষ্ঠানে প্রকাশ্যে গুলি করে খুন করা হয়েছিল। সেই একই ঘটনার আবার পুনরাবৃত্তি ঘটল। জানা গিয়েছে,আমুদ আলী বিশ্বাস চুপ্রিয়া এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল অঞ্চলের শহর সহ-সভাপতি ছিলেন। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগেই শহর-সহ সভাপতিকে গুলি করে খুনের ঘটনায় বিরোধীদের প্রতি তোপ দাগছেন তৃণমূলের স্থানীয় নেতৃত্ববৃন্দ। পঞ্চায়েত ভোটের আগেই তৃণমূলের অঞ্চল সহ-সভাপতি খুনের ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই উত্তাপ বেড়েছে সমগ্র হাঁসখালি জুড়ে। দাবি উঠেছে দোষীদের খুঁজে বার করে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়ার। গোটা ঘটনার তদন্তে নেমেছে হাঁসখালি থানার পুলিশ।


More Stories
আইনি জটিলতা কাটাতে এনসিপিআই-এ মিশে গেলেন বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদরা
“রাজনৈতিক প্রতিহিংসা “, জামিনের আবেদন সুজিত বসুর
ডিমথেরাপি অশোকনগরের গ্রেফতার চেয়ারম্যান প্রবোধ সরকারকে