সময় কলকাতা ডেস্ক,২ মেঃ ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টির সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিলেন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ শরদ পাওয়ার। এক প্রেস বিবৃতিতে মঙ্গলবার শরদ পাওয়ার এই ঘোষণা করেছেন। রাজনৈতিক মহলের অনুমান, ভাইপো অজিত পাওয়ারের সঙ্গে সংঘাতের কারণেই তিনি দলীয় প্রধানের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। এদিকে,শরদ পাওয়ার এনসিপির সভাপতির পদ ছাড়ার কথা ঘোষণার পর থেকেই তাঁর অনুগামী ও সমর্থকরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছেন। তাঁদের দাবি, অবিলম্বে শরদ পাওয়ারকে এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করতে হবে।

শরদ পাওয়ারকে মহারাষ্ট্রের বিরোধী জোট মহা বিকাশ আঘাদি-র অন্যতম রূপকার বলা হয়। ১৯৯৯ সালে কংগ্রেস থেকে বহিষ্কৃত হবার পর পি এ সাংমা, তারিক আনোয়ারকে সঙ্গে নিয়ে এনসিপি-র প্রতিষ্ঠা করেন শরদ পাওয়ার। ওই সময় কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে কিছু মতান্তরের কারণে তিনি দল থেকে বহিষ্কৃত হয়েছিলেন। এদিন পাওয়ার বলেন, এখনও রাজ্যসভায় আমার তিন বছরের মেয়াদ বাকি আছে। কিন্তু দীর্ঘ এই রাজনৈতিক কেরিয়ারের পর কোথাও থামার কথা ভাবতে হবে। একজনের লোভী হওয়া উচিত নয়। ভবিষ্যতে আর কোনোদিন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব না। তিনি আরও বলেন, ১৯৬০ সালের ১লা মে আমি আমার রাজনৈতিক জীবন শুরু করেছিলাম।
আরও পড়ুন সুপ্রিম কোর্টে ফের পিছিয়ে গেল গ্রুপ ডি মামলার শুনানি

বিবৃতিতে পাওয়ার দলের সিনিয়র নেতাদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করে পরবর্তী কর্মসূচি গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন। পাওয়ার জানিয়েছেন, এই কমিটিতে প্রফুল্ল প্যাটেল, সুনীল টাটকারে, পি সি চাকো, নরহারি জিরওয়াল, অজিত পাওয়ার, সুপ্রিয়া সুলে, জয়ন্ত পাটিল, ছগন ভুজবল, দিলীপ ওয়ালসে পাটিল, অনিল দেশমুখ, রাজেশ টোপে, জিতেন্দ্র আওহাদ, হাসান মুশারিফ, ধনঞ্জয় মুন্ডে, জয়দেব গাইকোয়াড় সহ দলের মুখ্য সংগঠনের প্রধানরা থাকবেন। শরদ পাওয়ারের এই ঘোষণার পরেই দলীয় কর্মীরা তাঁর কাছে এই সিদ্ধান্ত পুনঃবিবেচনার আবেদন জানিয়েছেন। দলীয় কর্মীরা জানাচ্ছেন, তাঁরা এই সিদ্ধান্ত মানবেন না। এই সিদ্ধান্ত থেকে যতক্ষণ না শারদ পাওয়ার সরে আসবেন আমরা এখান থেকে নড়বো না।


More Stories
ইউসিসি বা অভিন্ন দেওয়ানি বিধির প্রভাব কোথায়? বিরোধিতা কেন?
সাধের পেঁয়াজ সাধ্যের বাইরে! কবে দাম কমবে?
১৫ আগস্ট ইনডিপেনডেন্স ডে নয়, অর্থ গুলিয়ে ফেলে নতুন সংজ্ঞা শান্তনু ঠাকুরের