Home » অশান্ত মণিপুরে জারি কার্ফু, নিষিদ্ধ হল বড় জমায়েত

অশান্ত মণিপুরে জারি কার্ফু, নিষিদ্ধ হল বড় জমায়েত

সময় কলকাতা ডেস্ক,৪ মে:  অশান্ত মণিপুরে সেনা নামল, কার্ফু জারি, বন্ধ মোবাইল। বিভিন্ন জায়গায় সংঘর্ষ থামাতে বুধবার মাঝরাতেই রাজ্যের একাধিক জেলায় পুলিশ ও আধা সেনার সঙ্গে সেনা বাহিনীকে নামানো হয়। ভারতীয় সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করা হচ্ছে। সেনার তরফে আরও জানানো হয়েছে, আনুমানিক চার হাজার গ্রামবাসীকে সরকারি আশ্রয় শিবিরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ফ্ল্যাগ মার্চ করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, মণিপুরের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীদের অভিযোগ মূলত দু’টি। প্রথমত, রাজ্যের বিভিন্ন সংরক্ষিত বনাঞ্চল এবং জলাভূমির উপর বনবাসী জনজাতিদের চিরাচরিত অধিকার কেড়ে নেওয়া। দ্বিতীয়ত, রাজ্যের গির্জাগুলির উপর লাগাতার হামলার ঘটনা। পাল্টা রাজ্য সরকারের দাবি, রাজনৈতিক উস্কানির কারণেই এমন অশান্তির ঘটনা ঘটছে। আদিবাসী জনজাতিদের ভুল বোঝানো হচ্ছে। কয়েকদিন আগেই মুখ্যমন্ত্রী বীরেন সিংহের সভার ঠিক আগেই চূড়াচাঁদপুরে সভাস্থলে তৈরি হয় অশান্তির পরিস্থিতি। বিক্ষুব্ধ জনগণ আচমকা সভাস্থলে আগুন ধরিয়ে দেয়। জানা গিয়েছে, আন্দোলনের পুরোভাগে রয়েছে মণিপুরের আইটিএলএফ নামে একটি সংগঠন। সেই সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে, বীরেন সিংহ সরকারের সঙ্গে আপোসের কোনও প্রশ্নই নেই।

আরও পড়ুন  গরু পাচার মামলায় অনুব্রত-সুকন্যার চার্জশিট পেশ ইডির   

ইতিমধ্যেই অশান্ত মণিপুরে নিষিদ্ধ হয়েছে  বড় জমায়েত। বন্ধ ইন্টারনেটও। বিক্ষোভের আগুন জ্বলছে চারিদিকে। জারি রয়েছে ১৪৪ ধারাও। কিন্তু এসবের মধ্যেও বিক্ষোভ কর্মসূচী চলছে। মূলে রয়েছে মেটেই জনজাতির সঙ্গে আদিবাসীদের সংঘাত। পরিস্থিতি এতটাই উদ্বেগজনক যে মেরি কমের মতো আন্তর্জাতিক মানের অ্যাথলিটদেরও অসহায় হয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে হস্তক্ষেপের আবেদন জানাতে হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে মেরি কম টুইটে লিখেছেন, “আমার রাজ্য মণিপুর জ্বলছে। দয়া করে সাহায্য করুন।” নিজের টুইটে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংকে।

About Post Author