সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৯ মেঃ এগরা বিস্ফোরণ কাণ্ডে মৃত্যু হল মূল অভিযুক্ত ভানু বাগের। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ওড়িশার হাসপাতালেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। এগরায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ কাণ্ডের পর ক্ষতবিক্ষত ছিলেন মূল অভিযুক্ত কৃষ্ণপদ, ওরফে ভানু বাগও৷ কিন্তু,ওইদিন সে সব তোয়াক্কা না করেই ঘটনার ঘণ্টাখানেকের মধ্যে বাড়ি ছাড়েন ভানু৷ তখনও তিনি ছিলেন রক্তাক্ত৷ বেশিদূর যাওয়ার ক্ষমতা তাঁর ছিল না৷ গত বুধবার সকালেই ওড়িশার উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল সিআইডির বিশেষ দল৷

এদিকে ভানু ঘনিষ্ঠ ৪ জনকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদও শুরু হয়৷ সবশেষে রাতেই মিলেছিল সাফল্য৷ সিআইডি আধিকারিকদের হাতে ধরা পড়ে গিয়েছিলেন ভানু৷ ভানুর পাশাপাশি গ্রেফতার করা হয়েছিল তাঁর ছেলে পৃথ্বীজিৎ বাগ এবং ভাইপো ইন্দ্রজিৎ বাগ৷ তবে, গ্রেফতার করা হয় ভানু বাগকেও। কিন্তু ভানু গ্রেফতার হলেও তাঁকে রাজ্যে আনা সম্ভব ছিল না৷ ওড়িশায় পৌঁছেই আশঙ্কাজনক অবস্থায় নার্সিংহোমে ভর্তি হয়েছিলেন ভানু বাগ। তাঁকে বেডের উপরে কলাপাতা বিছিয়ে শুইয়ে রাখা হয়েছিল। সেই ছবিও প্রকাশ্যে আসে। তবে, ওড়িশা পুলিশ ছিল পাহারায়৷ একটু সুস্থ হলেই ভানুকে ট্রানজিট রিম্যান্ডে পশ্চিমবঙ্গে নিয়ে আসা হত। কিন্তু তার আগেই মৃত্যু হল ভানুর।
আরও পড়ুন আজকের দিনের গুরুত্ব

ইতিমধ্যেই এগরার বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে মৃত ও আহতদের ক্ষতিপূরণ ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। মঙ্গলবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে মৃতদের পরিবারপিছু ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা এবং গুরুতর আহতদের পরিবারপিছু ১ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সঙ্গে এই ঘটনার তদন্তভার সিআইডির হাতে তুলে দিয়েছেন তিনি। যদিও, এগরার ঘটনা জানার পরেই এনআইএ তদন্তের দাবি তুলেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী সহ বিরোধী নেতৃত্ব। এ বিষয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ‘ওরা এনআইএ চাক না, আমাদের কোনও আপত্তি নেই।’ ওই বাজি কারখানাটির বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, এটি একটি বেআইনি বাজি কারখানা। ইতিমধ্যেই সিআইএফ-এর এডিজি জ্ঞানবন্ত সিংকে ঘটনাস্থলে গিয়ে সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। সেই সঙ্গে তাঁর দাবি, ‘ওটা ওড়িশার বর্ডার। ওই পঞ্চায়েত বিজেপির। ওদের দেখা উচিত ছিল।


More Stories
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
বারাসাতে মিছিল কি তৃণমূলের শেষের শুরুর ইঙ্গিত ?
পাটুলিতে শুট আউট, নিহত যুবক