Home » ‘জাতপাতের ভিত্তিতে জনগণনা এখনই নয়’, পাটনা হাইকোর্টের স্থগিতাদেশেই সিলমোহর সুপ্রিম কোর্টের

‘জাতপাতের ভিত্তিতে জনগণনা এখনই নয়’, পাটনা হাইকোর্টের স্থগিতাদেশেই সিলমোহর সুপ্রিম কোর্টের

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৯ মেঃ জাতপাতের ভিত্তিতে জনগণনা এখনই নয়। বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমারের কর্মসূচিতে স্থগিতাদেশ দিয়েছিল পাটনা হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার সেই স্থগিতাদেশেই সিলমোহর দিল সুপ্রিম কোর্ট। পাটনা হাই কোর্টে এই মামলার পরবর্তী শুনানি ৩ জুলাই। ওইদিন পাটনা হাই কোর্টে শুনানি না হলে ১৪ জুলাই সুপ্রিম কোর্ট মামলাটি শুনবে।

আরও পড়ুন  ব্যোমকেশ ছেড়ে এবার রহস্যভেদে গোয়েন্দা দীপক!

উল্লেখ্য, কেন্দ্রের আপত্তি উড়িয়ে ওই জনগণনা শুরু করেছিল বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ সরকার। কিন্তু হাই কোর্টে বাধাপ্রাপ্ত হওয়ার পর শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েও কোনও লাভ হল না। এবারের জনগণনার ক্ষেত্রে তফশিলি জাতি এবং তফশিলি উপজাতি বাদে অন্য কোনও ক্ষেত্রে জাতপাতের উল্লেখ না রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র সরকার। এমনকী ওবিসি-দের ক্ষেত্রেও আলাদা আলাদা জাতির উল্লেখ রাখা হবে না। তবে, শুরু থেকেই কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করে আসছেন নীতীশ কুমার।

বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর দাবি ছিল, এই সেনসাসে প্রতিটি জাতির আলাদা আলাদা উল্লেখ রাখতে হবে। কেন্দ্র সেই প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় নীতীশ বিহারে আলাদা করে জাতপাতের ভিত্তিতে জনগণনার প্রক্রিয়া শুরু করে দেন। এই প্রক্রিয়ায় স্থগিতাদেশ চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয় বিহারের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংঠন। তাঁদের আবেদনের ভিত্তিতেই গোটা জাতিগত জনগণনার প্রক্রিয়ায় সাময়িক স্থগিতাদেশ দিয়ে দেয় পাটনা হাই কোর্ট। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি এস ওকা ও বিচারপতি রাজেশ বিন্দালের বেঞ্চে নীতীশ সরকারের দাবি ছিল, এটা কোনও জনগণনা নয় শুধুমাত্র সমীক্ষা। এতে স্থগিতাদেশ জারি হলে প্রচুর আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে। তাই স্থগিতাদেশ তুলে দেওয়া হোক। সেই প্রস্তাবে সাড়া দিল না সুপ্রিম কোর্ট।

About Post Author